Ultimate magazine theme for WordPress.

বাংলার আকাশ ভারতের ব্যবহার, লাভ কার?

0

বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করছে ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটের অনেক ফ্লাইট। একটি দেশের অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট অন্য দেশের ওপর দিয়ে যাওয়ার বিষয়টি ‘বিরল’ হলেও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এ সুযোগ নিচ্ছে ভারত। ভারতকে এমন সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশ কী পাচ্ছে— এমন প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট মহলে।

আসলেই কি বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করছে ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইট— জানতে চাইলে ঢাকা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (এটিসি) এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঢাকা পোস্টকে জানান, বর্তমানে ঢাকার আকাশ ব্যবহার করে প্রতিদিন ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটের ৯০ থেকে ১০০টি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। এভিয়েশনের ভাষায় একে ‘ওভারফ্লাই’ (ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া) বলে। আগে দৈনিক ১০টির মতো ফ্লাইট বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করত। এখন দিনদিন ভারতের ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ছে।

বর্তমানে ঢাকার আকাশ ব্যবহার করে প্রতিদিন ভারতের অভ্যন্তরীণ রুটের ৯০ থেকে ১০০টি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। এভিয়েশনের ভাষায় একে ‘ওভারফ্লাই’ (ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া) বলে। আগে দৈনিক ১০টির মতো ফ্লাইট বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করত। এখন দিনদিন ভারতের ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ছে

মূলত ভারতের কলকাতা, শিলং, মনিপুর (ইম্পাল বিমানবন্দর), গুয়াহাটি ও আগরতলার ফ্লাইটগুলো বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করছে। বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার না করলে গন্তব্যে পৌঁছাতে তাদের দুই থেকে তিন গুণ সময় বেশি লাগত।

ঢাকার এটিসি সূত্র আরও জানায়, ভারতের কলকাতা থেকে গ্যাংটক, শিলং ও আসামের আকাশপথ ব্যবহার করে গুয়াহাটির দূরত্ব দাঁড়ায় প্রায় ১০১৮ কিলোমিটার। সময় লাগার কথা আড়াই ঘণ্টার মতো। তবে বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহার করে এ রুটে মাত্র সোয়া এক ঘণ্টায় গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন ভারতের যাত্রীরা।

বাংলাদেশ ব্যবহারে তাদের আকাশপথের দূরত্ব কমে এসেছে অন্তত ৫১৯ কিলোমিটার। এ রুটে প্রতিদিন স্পাইস জেটের তিনটি ফ্লাইট, ইন্ডিগো এয়ারের ১০টি, এয়ার ইন্ডিয়ার সাতটি, ভিস্তারা এয়ারলাইন্সের পাঁচটি, গো ফার্স্ট এয়ারলাইনসের চারটি এবং এয়ার এশিয়া ইন্ডিয়ার দুটি ফ্লাইট চলাচল করছে।

কলকাতা থেকে আগরতলার দূরত্ব ১৫৪৭ কিলোমিটার। কিন্তু বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহারের ফলে দূরত্ব কমেছে অন্তত ৩৩০ কিলোমিটার। এ রুটে প্রতিদিন ইন্ডিগো এয়ারের সাতটি ও এয়ার ইন্ডিয়ার দুটি ফ্লাইট চলাচল করছে। কলকাতা থেকে মনিপুরের রাজধানী ইম্পালে প্রতিদিন এয়ার ইন্ডিয়ার আটটি, ইন্ডিগো এয়ারের সাতটি, এয়ার এশিয়া ইন্ডিয়ার দুটি ফ্লাইট চলাচল করছে। ১৫০৭ কিলোমিটারের এ রুটে অর্ধেকেরও কম অর্থাৎ মাত্র ৬২০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েই ফ্লাইটগুলো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে

কলকাতা থেকে আগরতলার দূরত্ব ১৫৪৭ কিলোমিটার। কিন্তু বাংলাদেশের আকাশ ব্যবহারের ফলে দূরত্ব কমেছে অন্তত ৩৩০ কিলোমিটার। এ রুটে প্রতিদিন ইন্ডিগো এয়ারের সাতটি ও এয়ার ইন্ডিয়ার দুটি ফ্লাইট চলাচল করছে। কলকাতা থেকে মনিপুরের রাজধানী ইম্পালে প্রতিদিন এয়ার ইন্ডিয়ার আটটি, ইন্ডিগো এয়ারের সাতটি, এয়ার এশিয়া ইন্ডিয়ার দুটি ফ্লাইট চলাচল করছে। ১৫০৭ কিলোমিটারের এ রুটে অর্ধেকেরও কম অর্থাৎ মাত্র ৬২০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েই ফ্লাইটগুলো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে।

বাংলাদেশে কর্মরত স্পাইস জেটের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে ঢাকা পোস্টকে বলেন, আগে আগরতলা হয়ে দিল্লির সর্বনিম্ন ভাড়া ছিল ১২ থেকে ১৩ হাজার টাকা, আগরতলা-চেন্নাই ফ্লাইটের ভাড়া বাংলাদেশি টাকায় ছিল ২০ থেকে ২২ হাজার। বর্তমানে আকাশপথের দূরত্ব কমে যাওয়ায় দিল্লি যেতে পাঁচ থেকে ছয় হাজার এবং চেন্নাই যেতে ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। ফলে ভারতের যাত্রীরা যেমন লাভবান হচ্ছেন, তেমনি বাংলাদেশও উপকৃত হচ্ছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »