Ultimate magazine theme for WordPress.

কাশ্মিরের নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াতে ইসলামির বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান

0

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মিরের নিষিদ্ধ ধর্মীয় সংগঠন জামায়াতে ইসলামির (জেইএ) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত ৬০টি স্থানে অভিযান চালিয়েছে দেশটির জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ। জেইএর সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও মদতের একটি মামলার তদন্ত করতে রোববার জম্মু-কাশ্মিরে সংগঠনটির বিভিন্ন নেতার বাসভবন ও কার্যালয়ে এই অভিযান চালানো হয়েছে।
মুসলিম পাকিস্তানের সাথে কয়েক দশকের দ্বন্দ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে জঙ্গিবাদে সমর্থনের অভিযোগ আছে জামায়াতে ইসলামির বিরুদ্ধে।
ভারতের প্রধান সন্ত্রাসবাদ দমনকারী সংস্থা এনআইএ এক বিবৃতিতে বলেছে, সংগঠনটির সদস্যরা দাতব্য ও কল্যাণমূলক কাজের জন্য অনুদানের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি তহবিল সংগ্রহ করেছেন। কিন্তু সংগৃহীত তহবিল সহিংসতা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার করেছে সংগঠনটি।
এনআইএ বলেছে, সংগৃহীত তহবিল নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন যেমন— হিজব-উল-মুজাহিদীন, লস্কর-ই-তৈয়বা এবং অন্যান্যদের কাছে জেইআইয়ের ক্যাডারদের সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাঠানো হয়।
জামায়াতে ইসলামি পরিচালিত বেশ কিছু ট্রাস্ট এবং নেতাকর্মীর বাসায় অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে এনআইএ। দেশটির কেন্দ্রীয় এই তদন্ত সংস্থা বলেছে, কাশ্মিরের যুবকদের সন্ত্রাসবাদে উসকানি এবং জম্মু ও কাশ্মিরে নতুন সদস্য নিয়োগ করেছিল জেআই; যাতে তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারে।
দুই বছরের বেশি সময় আগে কাশ্মিরে সন্ত্রাসী এক হামলায় ৪০ ভারতীয় সৈন্যের প্রাণহানির পর দেশটির সরকার জামায়াতে ইসলামিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। দেশটির আধা-সামরিক বাহিনীর একটি বাসে আত্মঘাতী এক বোমা হামলাকারী গাড়ি চালিয়ে দিলে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে। যদিও ওই হামলার দায় স্বীকার করেছিল পাকিস্তানভিত্তিক একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী।
তবে রোববারের অভিযানের ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামির মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স। অতীতে তহবিল সংগ্রহ এবং সন্ত্রাসবাদের অভিযোগের ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেনি কাশ্মিরের এই সংগঠন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »