Ultimate magazine theme for WordPress.

মাংসের পিসগুলো বড় হলে রেজালা হয় বেস্ট, দেখে নিন রান্নার পদ্ধতি

0

কোরবানির ঈদ মানে গরুর মাংসের রেসিপি আর সেটা যদি হয় বিফ রেজালা তাহলে তো কথাই নাই। ভোজনরসিকদের জনপ্রিয় এই রেসিপি কিভাবে তৈরি করবেন জেনে নিন।

রেজালা তৈরি করার জন্য গরু বা খাসির মাংস প্রয়োজন হয়। রেজালা তৈরির ক্ষেত্রে মাংসগুলো হাড় ছাড়া নিলে ভালো। মাংসগুলো যদি একটু বড় বড় পিস হয় সেক্ষেত্রে রেজালা রান্নার পরিবেশন সুন্দর হয়।

প্রথমেই চুলায় একটি পাত্রে পৌনে এক কাপ সয়াবিন তেল হালকা গরম করে নিন। এর মধ্যে ছোট চার/পাঁচ টুকরা দারুচিনি সাত/আটটি সবুজ এলাচ ও লবঙ্গ এবং তিন-চারটা তেজপাতা দিয়ে ২০-৩০ সেকেন্ডের মতো হালকা ভেজে নিন। বেরেস্তার মতো একেবারে ব্রাউন করার প্রয়োজন নেই। পেঁয়াজগুলো যখন নরম হতে শুরু করবে তখন এখানে দেড় টেবিল চামচ রসুন বাটা, দুই টেবিল চামচ আদা বাটা, দুই টেবিল চামচ জিরা বাটা, হাফ চা চামচ করে জায়ফল, এক টেবিল চামচ হলুদের গুঁড়া, দেড় টেবিল চামচ ধনিয়ার গুঁড়া, এক টেবিল চামচ লাল মরিচের গুঁড়া, স্বাদমতো লবণ দিন। ঝালের জন্য কাঁচামরিচ ব্যবহার করতে পারেন নিজের স্বাদমতো।

সামান্য একটু পানি দিয়ে এবার সব মসলা এক সংগে খুব ভালো করে কষিয়ে নিতে হবে। মসলাগুলো যতো ভালোমতো কষানো হবে রান্নার স্বাদ ততো ভালো হবে। প্রয়োজনে মসলা কষানোর জন্য আরও কিছুটা পানি দিয়ে নিতে পারেন।

এরপর এতে মাংসগুলো দিয়ে খুব ভালো করে নেড়েচেড়ে নিন। মিডিয়াম আঁচে ঢাকনা দিয়ে মাংসগুলো কষাতে হবে। তবে কষানোর প্রথম পর্যায় কোনো পানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ মাংস থেকে যথেষ্ট পানি বের হবে। ঢাকনা খুলে মাঝে মধ্যে মাংসগুলোকে নেড়ে দিতে হবে। যাতে নিচ থেকে লেগে না যায়। কষানো হয়ে গেলে ঝোল দিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ঝোল যেন বেশি না হয় শুধু মাংস সেদ্ধ হতে যতোটুকু লাগে।

এরপর কোয়ার্টার কাপ পেঁয়াজ বেরেস্তার সংগে সাত/আটটি কাজুবাদাম এবং দুই টেবিল চামচ পরিমাণ পানিসহ টক দই দিয়ে এক সংগে ব্লেন্ড করে নিন। মিশ্রণটা কিন্তু অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। শাহী একটা গ্রেভি এবং ফ্লেভার তৈরি করার জন্য এটি রান্নার প্রায় শেষ পর্যায়ে ব্যবহার করতে হবে।

মাংসগুলো যখন একদম সেদ্ধ হয়ে যাবে তখন এতে উপরের মিশ্রনটি যোগ করে নিন। ব্যাস হয়ে গেলো বিফ রেজালা রেসিপি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »