Ultimate magazine theme for WordPress.

ঘরে আটকে রেখে করানো হতো পতিতাবৃত্তি, সুযোগ বুঝে পাচার…….

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক…পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে মানবপাচার করতো একটি চক্র। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চক্রের হাত থেকে একজন কিশোরীকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৪। সেই সংগে চক্রের সদস্য রেহেনা বেগম (২২) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ জুন) বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, কিছু মানবপাচারকারী অল্পবয়সী কিশোরীদেরকে উচ্চ বেতনে লোভনীয় চাকরির নিশ্চয়তা দিয়ে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশে পাচার করে পতিতালয়ে বিক্রি করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বিকেলে র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ঢাকা জেলার সাভার মডেল থানাধীন বড়দেশী পশ্চিমপাড়া, বাসা নং- ৫৫, রোড-১/১ এ অভিযান পরিচালনা করে একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে। এসময় মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য রেহেনাকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয় তারা। তার গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুরে।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামি রেহেনা ও তার পলাতক স্বামী জাকির হোসেন এক কিশোরীকে বিদেশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে সাভারে রেহেনার বাড়িতে নিয়ে আসে। ঢাকায় আসার পর ভিকটিমকে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের উদ্দেশ্যে তারা একটি রুমে তালাবদ্ধ অবস্থায় আটকে রাখে এবং গত চার মাস যাবত বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করে ওই কিশোরীকে। কিশোরী শারীরিক সম্পর্ক করতে না চাইলে আসামিরা তাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি সহ প্রাণনাশের হুমকি দিতো। এভাবে ওই কিশোরীকে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে বিভিন্ন সময়ে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করার কারণে দুই মাসের সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়ে সে।
তিনি আরও বলেন, আসামি রেহেনা ও তার স্বামীর বাড়ি লক্ষ্মীপুরে। আবার ভিকটিম কিশোরীর বাড়ি চট্টগ্রামে হলেও তার নানার বাড়ি লক্ষ্মীপুরে। সেই সূত্রে আসামিদের সংগে তার পরিচয় ঘটে। তারা ভিকটিমকে দিয়ে প্রথমদিকে বাসাতে পতিতাবৃত্তি করাতো এবং পরবর্তীতে আমিন বাজারের গ্রিন আবাসিক হোটেলে নিয়ে পতিতাবৃত্তি করাতো। এই ঘটনায় সাভার থানায় মানবপাচার প্রতিরোধ দমন আইনে মামলা দায়ের করেছে র‍্যাব-৪।

সুত্র – বাংলা ভিশন

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »