Ultimate magazine theme for WordPress.

মামুনুলের ধর্ষণ, জঙ্গিসংশ্লিষ্টতার ‘প্রমাণ’ পেল পুলিশ!!

0

ক্রাইম টিভি বাংলা ডেস্ক …… জিজ্ঞাসাবাদে বিয়ের কোনো বৈধ কাগজপত্র দিতে পারেননি তিনি। মামলার বাদীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে তার প্রমাণ পেয়েছি। মামলার বাদী যাতে ন্যায়বিচার পান, সে বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বসহকারে দেখছে।’

ধর্মভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রোববার বিকেল ৫টার দিকে এ তথ্য জানান নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘মামুনুলের বিভিন্ন কার্যক্রম আমরা খতিয়ে দেখছি। তার দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকার প্রাথমিক তথ্য পেয়েছি। যাচাই-বাছাই করে এ বিষয়ে সুস্পষ্টভাবে বলা হবে।
এসপি বলেন, রাজনৈতিক সুবিধা নিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাওয়াই ছিল মামুনুলের টার্গেট। এ জন্য বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক দলের নেতারা তার সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন।’
মামুনুল হক পুলিশকে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, ‘মামুনুলের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের খোঁজখবর নেয়া হয়েছে। তার ঢাকায় একাধিক বাড়ি, একাধিক মাদ্রাসা রয়েছে। এসব মাদ্রাসায় প্রতি মাসে নামে-বেনামে প্রচুর অর্থ আসে। এই অর্থ তিনি আত্মসাৎ করেছেন।
মামুনুলের কথিত স্ত্রীর ধর্ষণ মামলা প্রসঙ্গে এসপি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে বিয়ের কোনো বৈধ কাগজপত্র দিতে পারেননি তিনি। মামলার বাদীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে তার প্রমাণ পেয়েছি। মামলার বাদী যাতে ন্যায়বিচার পান, সে বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বসহকারে দেখছে।
২৮ মার্চ হরতাল প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, হরতালের নামে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত তাণ্ডব চালায় হেফাজতের নেতা-কর্মীরা। এই হরতালে মামুনুলের উসকানিমূলক বক্তব্য নেতা-কর্মীদের নাশকতায় সাহস জুগিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘মামুনুল হক ২৫ মার্চ নেতা-কর্মীদের উজ্জীবিত করতে নারায়ণগঞ্জে আসেন। হরতালের সহিংসতার পেছনে মামুনুল হক সরাসরি জড়িত ছিলেন।’
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আমির খশরু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদ পারভেজ ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোয়েন্দা শাখা শফিউল আলম।
সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টের একটি কক্ষে ৩ এপ্রিল মামুনুল হক এক নারীসহ স্থানীয়দের হাতে অবরুদ্ধ হন। মানুনুলের সেই রিসোর্ট সঙ্গিনী পরে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। এ ছাড়া রিসোর্ট ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর চালানোর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।
এর আগে গত ২৮ মার্চ হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জে সহিংসতার ও গাড়ির পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশ ও র‍্যাব ছয়টি মামলা করে। এর মধ্যে তিনটি মামলার আসামি মামুনুল হক।
সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁয়ে ৬টি মামলায় শনিবার ১৮ দিনের রিমান্ড শেষে মামুনুলকে আদালতে তোলে পুলিশ। বিচারক মামুনুলকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সুত্র – এনবি নিউজ বাংলা ২৪

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »