Ultimate magazine theme for WordPress.

লাশের দুর্গন্ধ এড়াতে সেপটিক ট্যাংকে ঢালাই দেন সেই ইমাম

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক…পরকীয়া প্রেমিকার আসমা আক্তারের স্বামী আজহারুল ইসলামকে খুন করে লাশ ৬ টুকরো করে মসজিদের ওজুখানার গেট সংলগ্ন সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখেন ইমাম আব্দুর রহমান। কিছুদিন পর সেখান থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। তা দূর করার জন্য তিনি সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনার ওপর মসজিদের নির্মাণ কাজের জন্য রাখা সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে দেন।  মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনুজ কুমার সরকার গ্রেফতার আসমা আক্তার ও আব্দুর রহমানের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।  ওই আবেদনে এই বর্ণনা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, ইমাম আব্দুর রহমান আসমা আক্তারের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়লে ভিকটিম আজহার ইসলাম বিষয়টি জেনে যান। এ কারণে গত ২০ মে রাত ৯টার দিকে আজহারকে কৌশলে দক্ষিণখান থানাধীন সরদার বাড়ি জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় শয়ন কক্ষে ডেকে নেন আব্দুর রহমান। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। আজহারুল দরজার সামনে পড়ে যান। আব্দুর রহমান তখন আজহারুলের গলার ডানপাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পরবর্তীতে এ ঘটনা ও আলামত গোপন করতে আজহারুলের লাশ ৬ টুকরো করেন আব্দুর রহমান। পরে মসজিদের ওজুখানার গেটসংলগ্ন সেপটিক ট্যাংকের ভেতর লাশের টুকরোগুলো লুকিয়ে রাখেন। অনুসন্ধানে আসামিরা র‌্যাবের কাছে পূর্ব পরিকল্পনায় ও পরস্পর যোগসাজসে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে এবং আব্দুর রহমান সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে বুধবার দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা র‍্যাব সদর দফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, রোজা শুরুর ৭ দিন আগে ইমাম ও আসমা আক্তার আজহারুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ১৯ মে নিজের শয়নকক্ষে আজহারুলকে হত্যা করেন ইমাম আব্দুর রহমান। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় এক নম্বর আসামি করা হয়েছে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমানকে (৫৪)।  দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে নিহত আজাহারুলের স্ত্রী আসমা আক্তারকে (২৪)।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পর বিকালে আব্দুল্লাহপুর থেকে আসমাকে গ্রেপতার করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে র‍্যাব। এরপরই আসমা র‍্যাবের কাছে পরকীয়া সম্পর্ক ও হত্যার পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেন। পরবর্তীতে আসমা আক্তারকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

সুত্র – যুগান্তর

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »