Ultimate magazine theme for WordPress.

পর্নোগ্রাফি দেখা কি সত্যিই নেশা, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক —পর্নো এবং পর্নোগ্রাফিক চিত্র দেখার প্রবণতা ক্রমে বেড়ে চলেছে। ২০১৯ সালে, শুধু পর্নহাব ওয়েবসাইট ভিউ করেছেন প্রতিদিন গড়ে ১১৫ মিলিয়ন দর্শক ।

বিনামূল্যে, সহজেই অ্যাক্সেসযোগ্য পর্ন পাওয়াই ছেলেমেয়েরাও চুটিয়ে সেটা দেখেছি। আর এই সমস্ত কিছুকে অনেকে আসক্তি বা নেশা হিসেবে গণ্য করছেন। তবে কি পর্নে নেশা হয়?

আমেরিকান সাইকোলজিকাল অ্যাসোসিয়েশন (এপিএ) ড্রাগ বা অ্যালকোহলের আসক্তির মতো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা বা ব্যাধি হিসাবে পর্নোগ্রাফির আসক্তি স্বীকৃতি দেয়নি।

তবুও, ডিএসএম -৫ (ম্যানুয়াল অফ মেন্টাল ডিসঅর্ডারস – সাইকোলজিকাল ডিজঅর্ডার্স সম্পর্কিত বিশ্ব কর্তৃক নির্দেশিকা) অনুযায়ী পর্নোগ্রাফি এবং যৌন আসক্তি কোনও মনস্তাত্ত্বিক ব্যাধি নয় বলে বিবরণ দেওয়া হয়েছে। ডিএসএম -৫ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কয়েকটি ব্যাধি হ’ল জুয়া, অ্যালকোহল, ড্রাগস এবং অতি সম্প্রতি অনলাইন গেমিংয়কে  আসক্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে। কিন্তু পর্নোগ্রাফি সেই তালিকাতে নেই।

এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে পর্ন দেখা মস্তিস্কে যৌন মিলন অনুরূপ আনন্দের সার্কিটগুলিকে সক্রিয় করতে পারে ।

প্রকৃতপক্ষে, লোকেরা তাদের জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে বাধ্যতামূলক, আবেগময় এবং অভ্যাসগত সংযোগ বিকাশ করে, বিশেষত যদি এই জিনিসগুলি উদ্বেগকে প্রশমিত করে বা আকুলতা বা একাকীত্বের অনুভূতি পূরণ করে।

পর্নোগ্রাফি দেখাকে বিশেষজ্ঞরা সেরকম একটি অনুভুতির শামিল বলে মনে করছে। তাদের মতে লকডাউন চলাকালীন সময়ে পর্নোগ্রাফি দেখার প্রবণতা বেড়েছে। কারন মানুষ বড্ড বেশি একা হয়েছে। সভ্যতায় মানুষের মধ্যে একাকীত্ব আরও যত বাড়বে পর্নোগ্রাফি দেখার প্রবণতা ততো বাড়বে। কিন্তু সেটাকে কখনোই আসক্তি বলা যাবে না।

সুত্র – Odd বাংলা

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »