Ultimate magazine theme for WordPress.

বেগম জিয়াকে বিদেশে যেতে না দেওয়ায় যা বললেন ফখরুল!!

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক…ওয়ান ইলেভেনের ধারাবাহিকতায় বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দিতেই সরকার চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের কোনো যুক্তি থাকতে পারে না।রবিবার  (৯ মে) রাতে বেগম খালেদা জিয়াকে দেখে ফেরার সময় বসুন্ধরা গেটে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।বিএনপি মহাসচিব বলেন, শুধু মানবিক কারণে নয়, রাজনৈতিক কারণেও অনুমতি দেওয়া জরুরি ছিলো। কারণ, বেগম খালেদা জিয়া তিন বারের প্রধানমন্ত্রী। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। স্বাধীনতা থেকে এখন পর্যন্ত তাঁর যে অবদান তা অস্বীকারের কোনো উপায় নেই। দুর্ভাগ্য, সরকার প্রতিহিংসামূলক রাজনীতি চরিতার্থ করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।তিনি বলেন, আইনের যে ধারাতে সাজা স্থগিত করেছে, ওই ধারাতে বিদেশে যেতে দেওয়া এবং দণ্ড মওকুফ করার সুযোগ রয়েছে। তারা বলেছেন, কোনো নজির নেই। সরকার অসংখ্য নজির সৃষ্টি করেছে। তাঁরা যাবজ্জীবন-ফাঁসির আসামিকে বাইরে পাঠিয়ে দিতে পারেন, মাফ করে দিতে পারেন কিন্তু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতার জন্য কোনো মানবতা, শিষ্টাচার ও মূল্যবোধ তাঁদের কাজ করে না। বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতির শিকার হচ্ছেন।

বিএনপি’র এই সিনিয়র নেতা বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তে আমরা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। একটা মিথ্যা মামলা সাজিয়ে তাঁকে যে সাজা দেওয়া হয়েছে তার মূল উদ্দেশ্য হলো- খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। এটা ওয়ান ইলেভেন থেকে শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় তাঁর এবং তাঁর দলের সব শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। দেশে প্রায় ৩৫ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে পুরো দলকেই রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চক্রান্ত চলছে। সবচেয়ে বড় চক্রান্ত চলছে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে। কারণ, তিনি হচ্ছেন দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। এই দেশের কোটি কোটি মানুষের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতীক। ফ্যাসিস্ট সরকার এবং ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে তিনি লড়াই আন্দোলন শুরু করলে, গত নির্বাচনের আগে মিথ্যা মামলায় তাঁকে অন্তরীণ করা হয়েছে। আজ পর্যন্ত তাঁর সুচিকিৎসা করা হয়নি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা বহুবার সরকারকে বলেছি, স্থায়ী কমিটির সদস্যরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে একাধিকবার গিয়েছি তাঁর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য। কারাগার থেকে পিজি হাসপাতালে নেওয়া হলেও তাঁর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি। যখন দেশ করোনা আক্রান্ত হয়েছে তখন পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে সাজা স্থগিত করে বাসায় থাকার সুযোগ দিয়েছে। এতে তাঁর খুব বেশি উপকার হয়নি।

স্বাস্থ্যের বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজ আমি নিজে তাঁকে দূর থেকে দেখে এসেছি। আগের থেকে ভালো মনে হলো। অক্সিজেন ছাড়াই শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন। লাঞ্চে টিউব লাগানো আছে। উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এভারকেয়ারের চিকিৎসকরাই বলেছেন, এই চিকিৎসা তাঁর জন্য যথেষ্ট নয়। করোনা পরবর্তী যে জটিলতা দেখা দিচ্ছে, তাতে উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। কারণ, তাঁর পুরাতন রোগ ও বয়সের কারণে জীবনের ঝুঁকি রয়েছে।

সূত্র – বাংলা ভিশন অনলাইন

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »