Ultimate magazine theme for WordPress.

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী’কে অমানবিক নির্যাতন অতএত,হত্যা।

0

জৈন্তাপুর,সিলেট সংবাদদাতা;মোঃ রুবেল আহমদ।

রমজান মাসে সিলেটিদের রেওয়াজ আছে ফুরির(মেয়ে) বাড়ী ইফতার দেওয়া।আর এ নিয়ে সিলেট বেশ আলোচনা ও সমালোচনায় সিলেটিরা আছে।
আর ফুরির(মেয়ে)বাড়ী ইফতারি বন্ধ করার জন্য বেল কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হইছে।
এই রমজানে মেয়ের বাবার বাড়ী থেকে যে পরিমান মত ইফতার ও কাপড় পাঠিয়েছে তা অতিরিক্ত ও মন মত না হওয়ায় স্বামী ও শাশুড়ি মিলে মেয়েটার ওপর অমানবিক নির্যাতন করায় মেয়েটি মারা যায়।
মেয়েটির নাম শরিফা বেগম।
বাড়ী হবিগঞ্জ নবীগঞ্জ সদরাবাদ সানিক উল্লাহ এর মেয়ে।
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল পোস্টমডেম শেষে লাশ ভাইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বিয়ে হয় ওসমানী নগর ওসমান পুর তাহির পুর এলাকায়।
জনাব, আরজ আলী।মাতা :মিনারা বেগম এর কাছে।

শরিফা বেগম এর ভাইয়ের সাথে আলাপ করে জানা যায়,শরিফা বেগমের বিয়ে হয় ৮ মাস আগে।বিয়ের পর ফিরা যাএা থেকেই ভিবিন্ন সমস্যা হয় এবং সমাধান ও হয়।এখন বেশি সমস্যা টা চলে ইফতারি নিয়া।
এবং ইফতার দেওয়ার পর শরিফা বেগমের শশুর বাড়ির লোকেরা খুশি না।আর এ নিয়ে সমস্যার তৈরি হয়।
এনিয়ে আমার বোনকে বলি কি হইছে।।
সে নির্যাতনের ভয়ে কিছু বলে না।
এবং কয়েকদিন এমন চলে।এবং গত শুক্রবার একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে আমার কাছে শরিফা বেগম ফোন করে।ছালাম দিয়ে কোন কিছু না বলেই ফোন কেটে দেয়।এবং তা পরে বন্ধ দেখায়।
পরদিন শনিবার সকালে শরিফা বেগমের শশুর বাড়ী থেকে ফোন আসে,তোমার বোন মারা গেছে।
আমরা গিয়ে আমার বোনের গলায় কিছু চিহ্ন পাই এবং কানে ও নাকে আঘাতের দাগ পাই।
এটা পরিকল্পিত ভাবে আমার বোন শরিফা বেগমকে মারা হইছে।এবং আমার বোন সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলো।সাজানো হচ্ছে যে,আমার বোন ফাসি দিয়ে আত্মহত্যা করছে।
এবং লাশ দেখতে প্রশাসনের লোকসহ গেছে সেখানে।নির্যাতনের মূল কারন হচ্ছে,

শরিফার জামাই আরজ আলী কোন কাজকর্ম করতো না।বেকার চলাফেরা করতো।আরজ আলী দাবী হলো শরিফা বেগম যেন ওর পরিবারের কাছ থেকে প্রতিদিনের পকেট খরচটা এনে দেয়।
এনিয়ে আগে ও অনেক সমস্যা হয়।এত নির্যাতন সহস্য করার পর ও শরিফা বেগমের টার্গেট ছিলো স্বামীর ঘর করা।নবগত বাচ্চার কথা ভেবে সে সংসার করতে চেয়েছিলো।কিন্তু ওরা তা দিলো না।স্বামী আরজ আলী ও মাতা:মিনারা বেগম।এদের নামে থানায় মামলা হয়।এখন দেশবাসীর কাছে আমার পরিবারের সবার চাওয়া,শরিফা বেগমের খুনিদের অবিলম্বে ফাঁসির রায় যেন কার্যকর করা হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »