Ultimate magazine theme for WordPress.

দুর্ঘটনারোধে যা করা যেতে পারে ও বাধঁ নির্মানের দাবী জৈন্তাপুর বাসীর।

0

জৈন্তাপুর,সিলেট সংবাদদাতা-মোঃ রুবেল আহমেদ। /ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক…

সিলেট তামাবিল মহাসড়ক জৈন্তাপুর সম্প্রতি চলতি বছরের মে (২০২১) মাসেই ২টি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে।২৪ ঘন্টা ব্যবধানে ৯ জন মানুষের প্রান হানী।
জৈন্তাপুর ফেরিঘাট সিএনজি ও ট্রাক মুখামুখি। এতে নিহত হয়েছেন একই পরিবারের ৫ জন জন। এবং ১৭ ঘন্টা ব্যবধানে জৈন্তাপুর দরবস্ত আরেকটি সড়ক দূর্ঘটনা ঘটে।
এতে মারা যায় আরো ৪ জন।
পথচারীরা বলেছে, অন্যান্য দিনের তুলনায় মে মাসেই সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উভয়ই বেড়েছে।বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চালানো, বিপজ্জনক ওভারটেক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, অদক্ষ ও মাদকাসক্ত চালক কর্তৃক গাড়ি চালানো, রাস্তাঘাট নির্মাণে ত্রুটি, ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা পারাপার ও জেব্রা ক্রসিং না থাকা, আইনের যথাযথ প্রয়োগের অভাব সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ। দুর্ঘটনার এত সব কারণ জানা থাকা সত্ত্বেও শৃঙ্খলা ফেরে না সড়কে, যা খুবই দুঃখ জনক। ২০১৮ সালে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে প্রধানমন্ত্রী দূরপাল্লার বাসযাত্রায় বিকল্প চালক রাখা, পাঁচ ঘণ্টা পরপর চালক পরিবর্তন করা, চালক ও সহযোগীদের প্রশিক্ষণ, চালক ও যাত্রীদের সিটবেল্ট রাখা এবং মহাসড়কের পাশে চালকের জন্য বিশ্রামাগার রাখা—এই পাঁচ দফা নির্দেশনা দিয়েছিলেন। বলতে গেলে সেগুলোও মানা হয় না, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সড়ক দুর্ঘটনা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো কঠিন নয়, দরকার শুধু আমাদের প্রয়োজনীয় কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন। অনাকাঙ্ক্ষিত সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিচের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

১. চালকদের বেপরোয়া প্রতিযোগিতার মনোভাব ও গতি রুখতে সচেতনতা ও প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিতে বলা হলেও কর্তৃপক্ষ বরাবরই যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়। সুতরাং কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নিতে হবে।

২. লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন গাড়ির চলাচল নিষিদ্ধ করতে হবে এবং নতুন করে যেন লাইসেন্সবিহীন ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

৩. নির্মাণ ত্রুটির কারণে সড়কে যে দুর্ঘটনাপ্রবণ মোড় রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত বাধ নির্মাণ করতে হবে।

৪. ট্রাফিক আইনকে কার্যকর করা, ঘুষমুক্ত রাখা ও চালকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান থাকা জরুরি। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমগুলোতে ট্রাফিক আইন সম্পর্কে এমনভাবে প্রচারণা করতে হবে, যাতে সবার দৃষ্টিগোচর হয়।

৫. সড়কে পুলিশ ও মোবাইল কোর্টকে আরও বেশি সক্রিয় করে তুলতে হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »