Ultimate magazine theme for WordPress.

রমজানে রোগ প্রতিরোধক ‍কিছু পানীয়

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক…রমজানে দীর্ঘ সময় অনাহারে থাকতে হয়। এজন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাতে ঠিক থাকে, সে বিষয়ে আমাদের নজর দিতে হবে। তাই রোগ প্রতিরোধক খাবার ও পানীয় গ্রহণ করা উচিৎ। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সুবিধামতো সময়ে পান করতে পারেন এমন কিছু রোগ প্রতিরোধক পানীয়। গণমাধ্যমে পুষ্টিবিদ নাহিদা আহমেদ-এর এই সংক্রান্ত পরামর্শ তুলে ধরা হলো-
লেবু পানি
রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বৃদ্ধিতে, শ্বাসনালীর সংক্রমণ রোধে এবং সাধারণ সর্দি-কাশি কমাতে ভিটামিন ‘সি’ খুবই কার্যকর। আর এর ভালো উৎস লেবু। কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে প্রতিদিন পান করা যেতে পারে।
আদাপানি
আদায় সক্রিয় উপাদান জিঞ্জেরল রয়েছে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তাছাড়া আদা-তে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য, যা যেকোনো সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। পানিতে আদা সিদ্ধ করে বা কুসুম গরম পানিতে আদার রস মিশিয়ে পান করা যায়।
দারুচিনি ও লবঙ্গ পানি
দারুচিনিতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধক। অন্যদিকে প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন হ্রাস করতে এবং শ্লেষ্মা বের করে দিতে সহায়তা করে লবঙ্গ। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। দারুচিনি ও লবঙ্গ দিয়ে পানি ফুটিয়ে সেই পানি পান করা যায় কিংবা কুসুম গরম পানিতে দারুচিনি ও লবঙ্গ গুঁড়া মিশিয়ে পান করা যায়।
মসলা চা
বিভিন্ন মসলা, যেমন- আদা, দারুচিনি, কালোজিরা, গোলমরিচ, লবঙ্গ, তুলসী পাতা ও তেজপাতা ইত্যাদি মিশিয়ে চা তৈরি করে পান করা যেতে পারে। এই পানীয় রোগ প্রতিরোধক হিসেবে খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
ফল-সবজির জুস
আপেল, করলা, কমলা, মাল্টা বা যেকোনো টক ফলে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। তাই এসব ফল জুস করে খেলে তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। উপরোক্ত পানীয়গুলোতে কাঁচা রসুন, মধু, কালোজিরা আস্ত বা গুঁড়া করে ব্যবহার করা যেতে পারে। কাঁচা রসুনে অ্যালিসিনের উপস্থিতি একে রোগ প্রতিরোধক উপাদানে পরিণত করেছে।
সজনে পাতার পানীয়
সজনে পাতার পানীয়-তে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং ইনফেকশন প্রতিরোধ করে। এটি ভিটামিন ‘সি’, ক্যালসিয়াম, আমিষ, ভিটামিন ‘এ’, পটাসিয়ামের ভালো উৎস। পাশাপাশি এতে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ফলিক এসিড, জিংক, সেলেনিয়াম, কপার, ভিটামিন বি৬, আয়রন ও অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা দেহকে সুস্থ করতে এবং পেশি গঠনে সহায়তা করে। সজনে পাতা সিদ্ধ করে পানি পান করা যেতে পারে অথবা পাতা পাঁচ-ছয় দিন রোদে শুকিয়ে গুঁড়া করে গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে চা হিসেবেও পান করা যায়।

সুত্র – বাংলা ভিশন

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »