Ultimate magazine theme for WordPress.

‘হেফাজতকে যারা অর্থায়ন করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে’

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক…হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ-কে যারা অর্থায়ন করেছে তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।
তিনি বলেন, কে কতো টাকা দিয়েছে, কখন দিয়েছে, কেন দিয়েছে শীঘ্রই সব বেরিয়ে আসবে।
বুধবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি মন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সংগে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হেফাজতকে অর্থায়ন যারা করেছে তাদের বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করছে। তাদের বিষয়ে কিছু কিছু তথ্য পাচ্ছি, তবে এখনই জানাতে চাই না। পুরোপুরি তদন্ত শেষ হলে জানাবো। কার অ্যাকাউন্টে কোথা থেকে কত টাকা আসছে, এর সবকিছু তদন্তে বেরিয়ে আসবে।
উল্লেখ্য, ২৭ এপ্রিল দুপুরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার হাফিজ আকতার গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, হেফাজতের রিমান্ডে থাকা নেতাদের কাছ থেকে জানা গেছে ৩১৩ জন ব্যক্তি হেফাজতকে অর্থায়ন করতো। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদেরকে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটনো যায় কি না সেই উদ্দেশ্যে হেফাজতে ইসলাম সহিংসতা চালিয়েছিলো বলে আমাদের তদন্তে উঠে আসছে। তাদের অবশ্যই রাজনৈতিক অভিলাষ ছিলো। হেফাজতের নানা ধরনের গোপনীয় কর্মকাণ্ড আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী খতিয়ে দেখছে।
তিনি বলেন, ভূমি অফিসে জমির সব ধরনের কাগজপত্র থাকে। সেখানে হেফাজত অগ্নিসংযোগ করেছে। এর পেছনে নিশ্চয়ই উদ্দেশ্য ছিলো অশান্তি সৃষ্টি করা। তারা ডিসির বাংলোয় অ্যাটাক করে, পুলিশের বাংলো অ্যাটাক করে এবং পুলিশ ফাঁড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এমনকি তারা ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ ইনস্টিটিউটেও ভাঙচুর চালায়। এই শব্দগুলো একসঙ্গে মূল্যায়ন করলে তাদের মূল উদ্দেশ্য বের হয়ে আসবে।
তিনি আরও বলেন, হেফাজতে ইসলামের গঠনতন্ত্রে পরিষ্কার লেখা আছে তারা কোনো রাজনৈতিক ইস্যুতে অংশগ্রহণ করবে না এবং তারা রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকবে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি রাজনৈতিক বেড়াজালের মধ্যে আটকে বিভিন্ন অপকৌশলে চিহ্নিত জঙ্গি, চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং রাষ্ট্রের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে যায়।
হেফাজতের আমীর বাবুনগরীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, বাবুনগরীর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে মামলা ছিলো। সে সময় আটকও হয়েছিলেন তিনি। পরে জামিন নিয়েছিলেন। সেটা এখন কোন অবস্থায় আছে জেনে এরপর জানাতে পারব। তার বিরুদ্ধে যেসব মামলা হয়েছে সবগুলো আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। যে-ই অপরাধ করবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »