Ultimate magazine theme for WordPress.

হেফাজতের আরও অর্ধশত নেতা নজরদারিতে, গ্রেপ্তার আতঙ্কে বাড়ি ছাড়া জেলার নেতারা

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক…কেবল রাজধানী ঢাকা কিংবা জেলা শহরগুলোতে নয়, মফস্বলের মাঠপর্যায়ের হেফাজত নেতারাও গ্রেপ্তার আতঙ্কে বাড়ি ছাড়া হয়ে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে রাত কাটাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্ত্বরে বিশাল জনসমাগমের পর আবারও সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচনায় উঠে আসে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। মার্চে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন উপলক্ষে দেশব্যাপী জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন শুরু করে সংগঠনটি।এর পর থেকে হেফজতের দিকে গভীরভাবে নজরদারি করতে শুরু করে সরকার। আইন প্রয়োগকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, ওইসব তাণ্ডবে হেফাজতের যেসব নেতাকর্মীরা ইন্ধন যুগিয়েছে অনুসন্ধান চালিয়ে তাদের একে একে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। নাশকতা সৃষ্টিকারীদের চিহ্নিত করতে সারা দেশকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।

নরম-গরম কৌশলী অবস্থানে সরকার
দেশের কওমি মাদরাসাভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের সাম্প্রতিক ইস্যুতে নরমে-গরমে কৌশলী অবস্থান নিয়েছে সরকার। গত ২৬ মার্চ থেকে হেফাজতের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর পল্টন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হাটহাজারী, হবিগঞ্জ, নারায়নগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সহিংস ঘটনার সঙ্গে সরাসরি ও নেপথ্যে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে সরকার কোনো ছাড় দিতে রাজি নয়। একই সঙ্গে ২০১৩ সালে হেফাজতের ঢাকা অবরোধ কর্মসূচিকে ঘিরে যে সহিংসতা হয়েছিল, সেই মামলাগুলোও সামনে এনে জড়িতদের আইনের মুখোমুখি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে এগোচ্ছে সরকারের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো।
হেফজতের বর্তমান নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন
হেফাজতে ইসলামের বর্তমান নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে। চলমান প্রেক্ষাপটে হেফাজতের কোনো কোনো নেতা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা বললেও সংগঠনটির এখনকার নেতৃত্ব নিয়েই সরকার এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের নেতিবাচক মনোভাব বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ পেয়েছে।
তবে সংগঠন হিসেবে হেফাজতে ইসলাম ও এর বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী-সমর্থকের বিষয়ে এখনই বিপরীত অবস্থানে যাওয়ার পক্ষে নয় সরকার। কারণ সরকারের নীতিনির্ধারক মহল মনে করছে, সহিংসতা ও সরকারবিরোধী অবস্থানের সঙ্গে হেফাজতের সবাই জড়িত নয়। সরকারের এই অবস্থানের পরিষ্কার বার্তা মেলে গত ৪ এপ্রিল চলতি একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বাদশ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া সমাপনী বক্তব্যে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »