Ultimate magazine theme for WordPress.

ঢাকা এয়ারপোর্ট দুর্নীতির আখড়া – দক্ষিণ আমেরিকা গামী শতভাগ ভিজিটর অফ লোড।

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক…

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট যেন একটি আতঙ্কের নাম। ভিজিট ভিসা মানে ঢাকা এয়ারপোর্টে দেনদরবার । একজন মানুষ নিজের প্রয়োজনে না ভ্রমণের উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করতেই পারেন। তাই বলে সবাইকে আদম ভাবা ঠিক নয় । যেহেতু বাংলাদেশে যথেষ্ট পরিমাণে কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই , তাই ভাল কর্মের আশায় দেশে পরিবার-পরিজনকে ভালো রাখার আশায় আমাদের দেশের অনেক  মানুষ কোন না  কোনো উপায়ে বিদেশে পাড়ি জমান । আর সে লোকটি যখন অর্থ উপার্জন করে তখন কিন্তু সে তার দেশেরই অর্থনৈতিক চাঙ্গা করতে রেমিটেন্স পাঠায় । আমাদের দেশের আমলারা দেশের অর্থ লুট করে কোটি কোটি ডলার অন্যদেশে পাচার করছে এটা স্বয়ং আমাদের দেশের রাষ্ট্রপ্রধানও জানেন। অন্যদিকে আমাদের দেশে কর্মীরা অন্য দেশে গিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেশকে শক্তিশালী করার জন্য ২৪ ঘন্টা কাজ করে যাচ্ছে ।

যখন একজন মানুষ বৈধ উপায়ে বিদেশ পারিনা দিতে পারেনা , তখন সে কোন না কোন উপায় দেশত্যাগ করতে চায় সেটা বৈধ বা অবৈধ হোক । সেই ক্ষেত্রে আমাদের দেশে যারা ইমিগ্রেশনে চাকরি করেন তারা চাইলে তাদেরকে সহযোগিতা করতে পারেন । অথচ সহযোগিতা না করে উল্টো ভিক্ষের ঝুলি তাদের দিকে বাড়িয়ে দেন । তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করেন । নতুবা তাদের বিদেশ যাত্রা ভঙ্গ হয়ে যায় । পাসপোর্টে একটি অফ লোড সিল দিয়ে দেন যাতে  সে আর কোনদিন বিদেশে যেতে না পারে । আর যদি সেই বেক্তি পুনরায় বিদেশ যেতে চান – সেই ক্ষেত্রে এই মামলা শেষ করতে তাকে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত গুনতে হয় ।

এই ব্যাপার গুলো বাংলাদেশের একজন মন্ত্রী থেকে শুরু করে জনসাধারণ পর্যন্ত জানেন তারপরও এর কোনো সমাধান হয়নি গত ৪০ বছরে। যাইহোক আসল কথায় আসি – ঢাকা এয়ারপোর্ট , চট্টগ্রাম এয়ারপোর্ট এর এই ধরনের চাঁদাবাজদের কারণে প্রকৃত ভ্রমণপিপাসুরা বিদেশ ভ্রমণে অনিচ্ছা প্রকাশ করছেন । প্রবাসী বাংলাদেশীরা এই ধরনের ইমিগ্রেশন চাঁদাবাজদের অতিসত্বর অপসারণের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে একাধিকবার স্মারকলিপি দিয়েছেন কিন্তু এতে কোনো লাভ হয়নি। তাই এই মুহূর্তে আমরা ক্রাইম টিভি বাংলার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন করছি অতিসত্বর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট গুলো থেকে এই ধরনের চাঁদাবাজদের অপসারণ করুন । বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে প্রবাসীরা। আর আমাদের এই বাংলাদেশের মাটিতেই এয়ারপোর্ট গুলোতে যেভাবে অপমান অপদস্ত করা হয় আমাদের বীর রেমিটেন্স যোদ্ধাদের –আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই । প্রবাসী বাংলাদেশীদের দাবি অতিসত্বর উন্নত দেশগুলোতে যেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বৈধ উপায়ে জনশক্তি রপ্তানি করে । 

দক্ষিণ আমেরিকার ভলিবিয়া আমাদের বাংলাদেশের জন্য ভিসার প্রয়োজন হয় না । সেই সুবাদে প্রতিবছর অনেক মানুষ বলিভিয়ায় আসতে চান । কিন্তু বাংলাদেশের ঢাকার ইমিগ্রেশনে অসাধু ইমিগ্রেশন অফিসার দের কারণে এক লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ টাকায় দফারফা করে তারপর তাদের এদেশে আসতে হয় । বর্তমানে দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিল , পেরু , আর্জেন্টিনা , প্যারাগুয়ে , উরুগুয়ে্‌ গায়ানা , ছুরিনাম , ভেনিজুয়েলা সহ সব কিয়টি দেশেই প্রচুর বাংলাদেশি বসবাস করেন । এদের মধ্যে প্রায় সবাই অবৈধ পথে এসব দেশে এসেছিলেন বর্তমানে তারা এদেশে বৈধভাবে বসবাস করছেন ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »