Ultimate magazine theme for WordPress.

ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা টুরিস্ট ভিসা পেতে করনীয় এবং কিছু দরকারি পরামর্শ

মূলত ইউরোপ / আমেরিকা / কানাডা / অস্ট্রেলিয়া / ইউকে / জাপান এসব ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড উন্নত দেশে টুরিস্ট ভিসা পেতে হলে আবেদনকারীর মধ্যে ৩ টি অত্যাবশ্যক যোগ্যতা থাকতে হবে। এই ৩ টি যোগ্যতা থাকলে আপনি ০/ শূন্য দেশ ভ্রমন করেও পেতে পারেন কানাডার টুরিস্ট ভিসা।

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক…

বাংলাদেশের ১৪ কোটি মানুষ মনে করেন ইন্ডিয়া, মালয়শিয়া, থাইল্যান্ড এর মত কয়েকটি দেশ ভ্রমন থাকলেই আমেরিকা ইউরোপ টুরিস্ট ভিসা সহজেই পাওয়া যায়। ধারনাটি একদম ভুল। কষ্টের ব্যপার হল শিক্ষিত ও আধুনিক মানুষও তাই মনে করেন। তিনাদের ভাষায় ইহারে কয় “ভারী পাসপোর্ট”! এসব ভ্রমন শুধু ২ টি সহায়ক সাইকোলজিক্যাল দিকই নির্ণয় করে তা হলঃ আপনার আকাশ ভ্রমনে কোন দুর্বলতা/ অসুস্থতা নেই আর আপনি আসলেই বিদেশ ভ্রমন পছন্দ করেন।বাংলাদেশের ট্যুর অপারেটর কোম্পানিগুলো ভাল করেই জানে এই দেশের মানুষ শুধু শুধু টাকা খরচ করে ভ্রমনে আগ্রহী নয়। তাই একটা টোপ দেওয়া হয়, আর মানুষ আমেরিকা যাওয়ার প্রলোভনে অনেক টাকা খরচ করে ভ্রমন করাকে ইনভেস্টমেন্ট মনে করে। মূলত কেওই, ভ্রমন পিয়াসী নয়। এই টোপ হাতছানি দেয় কোটি মানুষের মন আর ব্যাবসায় করে ট্রাভেল এজেন্সি।

মূলত ইউরোপ / আমেরিকা / কানাডা / অস্ট্রেলিয়া / ইউকে / জাপান এসব ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড উন্নত দেশে টুরিস্ট ভিসা পেতে হলে আবেদনকারীর মধ্যে ৩ টি অত্যাবশ্যক যোগ্যতা থাকতে হবে। এই ৩ টি যোগ্যতা থাকলে আপনি ০/ শূন্য দেশ ভ্রমন করেও পেতে পারেন কানাডার টুরিস্ট ভিসা।

আবেদনকারীর পেশাগত অবস্থান শক্তিশালী হতেই হবে। চাকুরি বা ব্যবসা যাই হোক তা যেন ভাল আয়ের হয়, প্রতিষ্ঠিত এ গ্রেড মানের হয় এবং অনেক বছরের অভিজ্ঞতা লব্ধ হয়। অধিক আয় নিশ্চিত করতে ট্যাক্স দাখিল পত্র থাকতে হবে। দীর্ঘদিনের পেশা কিনা সেটা নিশ্চিত করতে স্বনামধন্য কোম্পানির NOC আর ব্যাবসায়ির ক্ষেত্রে অনেক বছরের লাইসেন্সই যথেষ্ট। আর আপনি আসলেই এই পেশায় অভিজ্ঞ কিনা সেটা আপনার মুখভঙ্গিই বলে দেবে। অভিজ্ঞার প্রতিচ্ছবি শুধুই অভিজ্ঞতা অর্জন ব্যতীত জাল করা একদম ইম্পসিবল। আর্থিক সামর্থ্য হল ভ্রমন ভিসা পাওয়ার প্রান। ইউরোপ ও আমেরিকা ভ্রমন করে আবার নিজ দেশে ফিরে আসা একজন ব্যাক্তির ব্যাংক হিসাবে ততটুকু তারল্য থাকা চাই। এই অংক শুধু নির্দিষ্ট একটা সময়ে থাকলেই হবেনা, দীর্ঘদিনের খান্দানি হতে হবে। যেমন আপনি এমবাসিতে জমার আগে ৫০ কোটি টাকা জমা রাখলেন তার কোন মূল্যই নেই। কারন সেটা আপনি ধার করেও আনতে পারেন। টাকা যে আপনার এবং সেই টাকা যে নিজেরই বৈধ আয় করা সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

৩। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলঃ আপনার চোখে থাকতে হবে আপনি ভ্রমন শেষে ফিরে আসবেন। আপনি আদম নয় টুরিস্ট এটাই প্রমাণ করতে হবে। ট্যুর ভিসা দেয়া হয় ট্যুর করার জন্য থাকার জন্য বা ডলার আয় করার জন্য নয়। মিথ্যা বলে পার পাবেন না। শুধুমাত্র এই মিথ্যার জন্যই পেশাগত ডকুমেন্ট ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট শক্তিশালী হওয়া সত্তেও ৯০% মানুষ ভিসা রিফিউজ হয়। সর্বোপরি, বাংলাদেশ এখন বিশ্বে নিন্ম ভিসা প্রাপ্তির দেশ গুলর মধ্যে অন্যতম। ভিজিট ভিসায় গিয়ে ভিজিট করুন, স্টুডেন্ট ভিসায় স্টাডি করুন, বিজনেস ভিসায় গিয়ে বিজনেস করুন আর কনফারেন্স সেমিনারে গিয়ে তাই করুন।

এই দেশের মানুষ ১৫ দিনের ভিজিট ভিসা পেয়ে ১৫ বছর বিদেশ থেকে যায়, স্টুডেন্ট ভিসায় কলেজে না গিয়ে ১৫ ঘণ্টা কাজ করে, বিজনেস ভিসায় গিয়ে স্মাগ্লিং করে আর সেমিনারে তো অনেক মান্যগণ্য ব্যাক্তিরা আদম পাচার করে।

যেদিন বাংলাদেশের মানুষ যে ভিসায় বিদেশ যাবে সেই কাজটাই করবে সেদিন এই দেশের প্রতিটি মানুষ আমেরিকা / কানাডা / অস্ট্রেলিয়া / ইউরোপ সহ সমগ্র বিশ্বে অবাধ ভ্রমনের সুযোগ পাবে। সেদিন বোধয় কখনোই আসার নয় আমাদের , কারণ আমরা মনে করি নিজে যেয়ে পালাতে পারলেই বাঁচি বাকি যা হওয়ার হবে । অবস্থা দিন দিন আরও সংকটময় হবে যদি আমরা এইসব কাজ থেকে বিরত না থাকি।

সুত্র -লাইফ ইন ইউরোপ

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »