Ultimate magazine theme for WordPress.

স্বামীর ৪০ বছর হলে যেসব বিষয়ে যত্নশীল হবে স্ত্রী!

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা লাইফস্টাইল ডেস্ক♦ মানবজীবনের একটি চক্র আছে। শিশু বালক তরুণ যুবকের রঙ্গিন চশমার দিন পার করে চলে আসে মাঝ বয়স, মানে ৪০ বছর। জীবনকালে এ সংখ্যাটি নারী-পুরুষের জন্য গুরুত্ববহ একটি বয়সের সীমা। বয়সের এ সীমারেখায় পৌঁছানোর পর থেকে নারী-পুরুষের জীবনে অনেক কিছুতেই প্রভাবে ফেলে।

তাই আপনার স্বামীর বয়স যখন চল্লিশ পার হয় তখন আপনাকে জানতে হবে কিছু বিশেষ তথ্য। ৪০ পেরোনো পুরুষের জীবন আরো নানা জটিলতায় পূর্ণ। স্বামীর বয়স চল্লিশ পার হলে আপনাকে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে।

খাওয়া-দাওয়া : সকালের নাস্তা কখনো মিস করতে দেবেন না। সকাল ৯টার মধ্যে নাস্তার অভ্যাস গড়ে তুলুন। বেশি রাত করে খাবার দেবেন না।

ব্যায়াম : ৪০ পেরিয়ে গেলে ব্যায়াম অত্যাবশ্যক হয়ে দাঁড়ায়। সকালেই যে ব্যায়াম করতে হবে তার কোনো মানে নেই। অফিস থেকে ফিরে ব্যায়াম করা যায়।

অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস : কোলেস্টেরল, উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিসের সঙ্গে সঙ্গে কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসও চল্লিশের পর পুরুষদের বিপদ ডেকে আনে। সিগারেট বা মদ্যপানের নেশা শরীরে প্রভাব ফেলে মারাত্মকভাবে। ফ্যাটি লিভার এই বয়সের পুরুষদের একটি সাধারণ সমস্যা।

অভিযোগ নয় : সময় দিচ্ছে না বলে স্বামীর কাছে অভিযোগ করেন স্ত্রীরা। অভিযোগের আঙুল উঠলে স্বামীর হয়ে যান ডিফেন্সিভ। লেগে যায় ঝগড়া। তাহলে অভিযোগের সুরে নয়, আন্তরিকভাবে ব্যাপারটা জানান। স্বামীর অপারগতা বুঝতে পারলে এবং সে ব্যাপারে সহানুভূতিশীল হতে পারলে দেখবেন আপনাদের বোঝাপড়াটা হবে মজবুত। ৪০ পেরিয়ে গেলেও আপনার স্বামীর মন থাকবে সবসময় ফুলফুরে।

জীবনধারায় পরিবর্তন : স্বামীর জীবনধারার পরিবর্তনে আপনিই নিতে পারেন মুখ্য ভূমিকা। পরিবার বা কাজের জায়গাতে দায়িত্ব হিসেবে না দেখে সেটাকে ভালোবাসা জায়গা ভাবতে হবে।

নিজেদের নতুন করে খুঁজুন : বিয়ের কয়েক বছর পরেই সম্পর্কতে একঘেয়েমি চলে আসে। দুজন মিলে সে একঘেয়েমি থেকে বের হওয়ার পথ খুঁজে নিন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »