Ultimate magazine theme for WordPress.

পাসপোর্টে ‘বৈবাহিক অবস্থা’ হালনাগাদ ফি কতো, কিভাবে করতে হয়?

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক♦

ডিভোর্স হলে বা অভিবাহিত থেকে বিবাহিত হলেও জটিলতার কথা ভেবে অনেকেই তাদের পাসপোর্টের তথ্য হালনাগাদ করেন না। যে কারনে তাকে ক্ষেত্রবিশেষ বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি পড়তে হতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়াতে জেনে নেওয়া জরুরী- পাসপোর্ট কিভাবে বৈবাহিক অবস্থা হালনাগাদ করতে হয়। আর এ জন্য কি কি কাগজপত্রের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর পাসপোর্টের আবেদনকারীদের এসব তথ্য হালনাগাদের সুযোগ রেখেছে। নাম, জন্ম তারিখ ছাড়া বর্তমান ঠিকানা ও কর্মক্ষেত্রসহ সব ধরনের তথ্য হালনাগাদ করা যায়।

অধিদপ্তর জানায়, মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) তথ্য সংশোধন বা পরিবর্তন করতে চাইলে পাসপোর্ট রি-ইস্যুর জন্য আবেদন করতে হবে। এজন্য আবেদনকারীকে এক পৃষ্ঠার একটি ফরম পূরণ করতে হবে। ফরমে আগের তথ্য ও হালনাগাদ তথ্য দুটোই দিতে হবে। এসময় তথ্য হালনাগাদের স্বপক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। অধিদপ্তর এসব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পাসপোর্ট হালনাগাদ করবে।

অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্র বলছে, পাসপোর্টে বৈবাহিক অবস্থা ‘বিবাহিত’ উল্লেখ করতে চাইলে নিকাহনামা জমা দিতে হবে। বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হলে তালাকনামা কার্যকরের কপি, পুনরায় বিবাহিত হলে নিকাহনামার কপি জমা দিতে হবে।

এছাড়াও কারো বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন হলে স্থানীয় কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র অথবা ইউটিলিটি বিলের কপি, পেশা পরিবর্তন হলে অফিসের আইডি কার্ড বা ব্যবসায়িক ট্রেড লাইসেন্সের কপি জমা দিতে হবে।

এমআরপি থেকে ই-পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ফরম পূরণ করতে হবে না। ই-পাসপোর্টের সুনির্দিষ্ট ফরমটি পূরণ করে সেখানে হালনাগাদ করা তথ্য দিতে হবে। তবে হালনাগাদের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবেই।

অধিদপ্তর জানায়, পুরোনো পাসপোর্টের নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম ও জন্ম তারিখ পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। তবে কেউ যদি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে চায়, সেক্ষেত্রে তার পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হবে।

পাসপোর্ট তথ্য হালনাগাদের ফি পাসপোর্ট তৈরি বা রি-ইস্যু করার ফি একই। অর্থাৎ রি-ইস্যু করতে যত টাকা লাগে, সংশোধন করতেও একই ফি। কারণ তথ্য সংশোধন শেষে নতুন পাসপোর্ট বই দেওয়া হয়।

পাঁচ বছর মেয়াদের ৪৮ পাতার ই-পাসপোর্ট ‘রেগুলার ডেলিভারি’ ক্যাটাগরিতে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে পেতে চার হাজার ২৫ টাকা, ‘এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ ৭ কার্যদিবসে পেতে ৬ হাজার ৩২৫ টাকা ও ‘সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ ২ কার্যদিবসের মধ্যে পেতে ৮ হাজার ৬২৫ টাকা জমা দিতে হবে।

১০ বছর মেয়াদের ৪৮ পাতার ই-পাসপোর্ট ‘রেগুলার ডেলিভারি’ ক্যাটাগরিতে ১৫ কার্যদিবসের পেতে ৫ হাজার ৭৫০ টাকা, ‘এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ ৭ কার্যদিবসে পেতে ৮ হাজার ৫০ টাকা ও ‘সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ ২ কার্যদিবসের মধ্যে পেতে ১০ হাজার ৩৫০ টাকা জমা দিতে হবে।

৫ বছর মেয়াদের ৬৪ পাতার ই-পাসপোর্ট ‘রেগুলার ডেলিভারি’ ক্যাটাগরিতে ১৫ কার্যদিবসের পেতে ৬ হাজার ৩২৫ টাকা, ‘এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ ৭ কার্যদিবসে পেতে ৮ হাজার ৬২৫ টাকা ও ‘সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ ২ কার্যদিবসের মধ্যে পেতে ১২ হাজার ৭৫ টাকা জমা দিতে হবে।

১০ বছর মেয়াদের ৬৪ পাতার ই-পাসপোর্ট ‘রেগুলার ডেলিভারি’ ক্যাটাগরিতে ১৫ কার্যদিবসের পেতে ৮ হাজার ৫০ টাকা, ‘এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ ৭ কার্যদিবসে পেতে ১০ হাজার ৩৫০ টাকা ও ‘সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি’ ২ কার্যদিবসের মধ্যে পেতে ১৩ হাজার ৮০০ টাকা জমা দিতে হবে।

এছাড়াও ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদের নতুন অথবা রি-ইস্যু এমআরপি ৭ দিনে পেতে ৬ হাজার ৯০০ টাকা ও ২১ দিনে পেতে ৩ হাজার ৪৫০ টাকা দিতে হবে। এমআরপি ও ই-পাসপোর্ট উভয় ফির সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত রয়েছে। অন্যদিকে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীরা রেগুলার ডেলিভারির জন্য আবেদন করলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে তারা এক্সপ্রেস ডেলিভারির সুবিধা পাবেন।

২১ দিনে ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) নিতে ভ্যাটসহ ৩ হাজার ৪৫০ ও ৭ দিনে ৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদে এমআরপি নিতে ভ্যাটসহ ৬ হাজার ৯০০ টাকা লাগবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »