Ultimate magazine theme for WordPress.

ব্রাজিলের বেড়াতে,লেখাপড়া করতে , চাকুরি বা স্থায়ীভাবে বসবাস করতে আগ্রহীরা সরকারী ওয়েবসাইট কে ফলো করতে পারেন ।

0

©নিলয় দেওয়ান জীবন♦ক্রাইম টিভি বাংলা ♦

শুধু বাংলাদেশে নয় সারা পৃথিবীর মানুষের স্বপ্নের দেশ ব্রাজিল।ফুটবলের দেশ , সাম্বার দেশ , সারা পৃথিবীর ফুসফুস আমাজনের দেশ ব্রাজিল । পর্যটনের জন্য যে দেশের কোন তুলনা হয় না – সাগর আর পাহাড়ে ঘেরা অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি ব্রাজিল। আজ আমরা নয়নাভিরাম ব্রাজিল সম্পর্কে জানবো । ব্রাজিলের সরকারি ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন আমাদের প্রতিনিধি নিলয় দেওয়ান জীবন ।

ব্রাজিলে আসতে হলে প্রথমে প্রয়োজন আমাদের ভিসা । অবশ্য কিছু কিছু দেশের জন্য ব্রাজিল আসতে ভিসার প্রয়োজন হয় না । অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের নাগরিকদের ব্রাজিলে আসতে কোন ভিসার প্রয়োজন হয় না । এয়ারপোর্ট আসার পর তারা ৯০ দিনের থাকার অনুমতি পাবেন । এই ৯০ দিনের পর যদি তারা আরও কিছু দিন থাকার অনুমতি প্রয়োজন মনে করেন- সেই ক্ষেত্রে ব্রাজিলের পুলিশিয়া ফেডারেলে যোগাযোগ করে আবারও তারা ভিসার মেয়াদ বাড়াতে পারবেন । এই দেশগুলো ছাড়াও আরও বেশ কিছু দেশের নাগরিকদের ব্রাজিলে আসতে ভিসা প্রয়োজন হয়না । ক্রাইম টিভি বাংলা র আজকের আয়োজনে থাকছে ব্রাজিলের বিভিন্ন তথ্য-

(১) যে সকল দেশে ব্রাজিলের দূতাবাস রয়েছে আপনারা সেই সকল দেশ থেকে দূতাবাসে যোগাযোগ করে ভিসার আবেদন করতে পারেন। যদি আপনার দেশে ব্রাজিলের হাইকমিশন না থাকে সে ক্ষেত্রে আপনার পার্শ্ববর্তী যেকোন দেশ থেকে ভিসা আবেদন করতে পারেন।

(২) ভ্রমণে আগ্রহী  কমপক্ষে ৭ দিন আগে ভিসার আবেদন করতে হবে । যদিও বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে ব্রাজিলে আসতে আগ্রহী রা ভ্রমণ ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন না । যারা ব্রাজিলে ভ্রমণ করতে আসতে চান তাদের অবশ্যই আবেদন করতে হয় – বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত , নেপাল , শ্রীলংকা , সিঙ্গাপুর , মালয়েশিয়া বা থাইল্যান্ড থেকে । 

(৩) যারা ভ্রমণবিষয়ক ব্রাজিলে আসবেন তারা ইচ্ছে করলে ভিসার মেয়াদ আরো নব্বই দিন বাড়াতে পারেন ব্রাজিলের পুলিশিয়া ফেডারেলে  গিয়ে ।

(৪) বাংলাদেশের পাসপোর্টধারীরা ব্রাজিলের ভ্রমন ভিসার জন্য আবেদন করলে এক বছরের মাল্টিপল ভিসা পাবেন।

(৫) ব্রাজিলে এসে যদি কেউ কাজের জন্য আগ্রহী হয় , সেই ক্ষেত্রে এদেশের শ্রম মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে তারা ওয়ার্ক পারমিট পেতে পারেন ।

(৬) ব্রাজিলে এসে যদি আপনি ওয়ার্ক পারমিট এ সরকারকে ট্যাক্স দিয়ে কাজ করেন ,সেই ক্ষেত্রে সরকার আপনাকে ২ বছরের জন্য অস্থায়ী রেসিডেন্ট পারমিট দেবেন । দুই বছর পর আপনি পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট কার্ড পেতে পারেন ।

(৭) বর্তমানে সরকারের আইন অনুযায়ী ভ্রমণকারীকে ব্রাজিলের এয়ারপোর্টে এসে তার টিকার কার্ড দেখাতে হবে।এয়ারপোর্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ আপনার টিকার কার্ড এবং এয়ার টিকেট তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে পরীক্ষা করতে পারেন । এই পরীক্ষায় যদি আপনার কোন কাগজ জাল প্রমাণিত হয় , সেই ক্ষেত্রে আপনাকে আপনার দেশে ফেরত পাঠাতে পারেন । (অ্যাঙ্গোলা ও কঙ্গো থেকে আগতদের টিকা শংসাপত্রের উপস্থাপনের প্রয়োজন নেই ।

(৮) ব্রাজিলে আসার পূর্বে প্রত্যেকটি পর্যটককে অবশ্যই নিম্নলিখিত টিকা দেয়া থাকতে হবে – 

• ইনফ্লুয়েঞ্জা (ফ্লু)
• হাম
• রুবেলা
• হেপাটাইটিস একটি
• হেপাটাইটিস বি
• হলুদ জ্বর

যে সকল উপায়ে আপনি ব্রাজিলে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারবেন—–

(১) আপনার পরিবারের কোন সদস্য যদি পূর্বে ব্রাজিলের রেসিডেন্ট কার্ড পেয়ে থাকে ।

(২) অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা ।

(৩) যদি আপনি ব্রাজিলে বিনিয়োগ করতে চান ।

আরো কিছু উপায় আপনি ব্রাজিলের স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারেন ——- 

(১)আপনি যদি শরণার্থী হিসেবে ব্রাজিলে আবেদন করেন।

(২) আপনি যদি ব্রাজিলে বিয়ে করেন বা কোন ব্রাজিলিয়ান সন্তান থাকে ।

(৩) ১৮ উর্ধ্বে বয়স এমন কোন ব্রাজিলের নাগরিক/ শরণার্থী যার ইতিমধ্যে ব্রাজিলের রেসিডেন্ট কার্ড বা অস্থায়ী রেসিডেন্ট কার্ড হয়েছে ।যার আয়ের উপরে আপনি নির্ভরশীল ।

(৪) অধ্যাপক, টেকনিশিয়ান বা উচ্চ পর্যায়ের গবেষক বা বিদেশী বিজ্ঞানী ।

(৫) মানব পাচারের শিকার বা দুই বছর দেশের বাইরে থাকার কারনে যারা তার নিজ দেশের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন।

(৬) ব্রাজিলের পুলিশিয়া ফেডারেল থেকে আপনি স্থায়ী বা অস্থায়ী রেসিডেন্ট কার্ড পেতে পারেন।

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি হুবাহু প্রকাশ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যদি কেউ এই ওয়েবসাইটের কোন পোস্ট শেয়ার করতে চান অবশ্যই লিংকসহ শেয়ার করতে হবে

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »