Ultimate magazine theme for WordPress.

‘মনে হচ্ছে বিজয় আর বেশি দূরে নয়’

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক♦

ঢাকায় লাঠিপেটায় আহত কর্মীকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে আনার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। দক্ষিণ সিটির মেয়র প্রার্থী ও দলের আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির অন্যতম সদস্য প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন ওই কর্মীকে ছিনিয়ে নেন। এসময় তিনিও সামান্য আহত হন।

ভিডিওটি আপলোড করার প্রথম পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ ফেসবুকে নিজেদের টাইমলাইনে শেয়ার করেন। এছাড়া ৮৮ হাজারেরও বেশি মানুষ লাইক দিয়েছেন। এতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাড়ে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ।

শাহরুখ মাহমুদ বলেন, বড় বড় সব বাপ বয়সী ছাত্রদলের বুইড়া ফাপরবাজ নেতাগুলা কই যে পালাইছিল, খোঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। শালারা কাপুরুষ, দুইটা পুলিশের মাইরের ভয়ে পালাইছে। এরাই আবার বড় বড় লেকচার মারে, শালা হিজরাগুলা।

হাফেজ মাওলানা মাকছুদ তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রতিটি নেতা যদি ইশরাক ভাইয়ের মত সাহসী হত ৷ এই দেশে অনেক আগেই ভোট অধিকার ফিরিয়ে আসতো৷

ভিডিওটির প্রতিক্রিয়ায় আহিন রহমান নামের একজন তার ফেসবুক টাইমলাইনে বলেন, এটাকেই মনে হয় নেতা বলে।

ইয়াসী বিপ্লব নামের একজন বলেন, আমি আপনি যেই দল করি না কেন, তার সাহস দেখে খুব ভালো লাগলো।

ইসমাঈল আহসান বলেন, হাজারো দালালের ভীড়ে বিএনপি এতদিনে একটা বাঘের বাচ্চা পেল। ইশরাকের ভূমিকায় আসলেই মুগ্ধ হয়ে গেলাম।

মো. আবুবকর ছিদ্দিক নামের একজন তার ফেসবুক টাইমলাইনে ওই ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে লেখেন, আজকের পুরো ভিডিও দেখে প্রমাণ পেয়েছি যে উনি আসলেই জনগণের রাজনীতি করেন। অবশ্য এর আগেও তিনি এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছিলেন। সব নেতা ও কর্মীর মধ্যে সম্পর্ক যদি হৃদয় থেকে সুদৃঢ় হতো তাহলে  অবৈধ সরকারের পোষা গুণ্ডারা রাজপথ দখলে নিতে পারত না।আজকের মিছিলে যদি সবাই ইশরাকের ভূমিকায় থাকতো তাহলে ‘মাফিয়ার’ লোক পালাতে বাধ্য হতো। কেন্দ্রীয় নেতাদের বলতে চাই ইশরাক ভাই থেকে শিক্ষা নিন এবং দলকে মজবুত করতে হলে এরকম হাজারো ইশরাক তৈরি করুন, তবেই পারবেন রাজপথ দখলে রাখতে।

মোহাম্মদ নাদিমুল হক নামের একজন লেখেন, ইশরাক ভাই, এই দৃশ্যটা দেখার পর কেন জানি মনে হচ্ছে বিজয় আর বেশি দূরে নয়, অনেক ভালোবাসা রইলো ভাই।

তিহানা রেহমান মিমি নামের একজন মন্তব্য করেন, আপনার ভিডিওটি আব্বু দেখে স্মৃতিচারণ করলেন যে, আপনার পিতা মরহুম সাদেক হোসেন খোকাও এমন ছিলেন। আব্বুকে বংশাল মিছিল থেকে যখন পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছিলো, তখন আপনার আব্বা গিয়ে আমার আব্বুকে এভাবে পুলিশের থেকে ছিনিয়ে নিয়ে আসছিলেন।এটাই আসল একজন নেতার বৈশিষ্ট্য।

নায়েব আরিফ লেখেন, এমন একটা ইশরাক ভাইয়ের জন্য হাজারো নেতাকর্মী জীবন দিতেও রাজি আছে। অন্যান্য সিনিয়র নেতাদের উচিত ওনার কাছ থেকে শেখা, কিভাবে পুলিশের কাছ থেকে দলের নিরীহ কর্মীদের রক্ষা করতে হয়, আগলে রাখতে হয়। এজন্যই হয়তো ইশরাক ভাই সবার সেরা।

এস.এম দুলাল ইঞ্জিনিয়ার নামের একজন মন্তব্য করেন, যদিও আমি আওয়ামী লীগ পরিবারের লোক। বাংলাদেশের অনেক নেতা দেখেছি, এমপি, মন্ত্রী দেখেছি, কিন্তু ইশরাক ভাইয়ের মত জীবনে কাউকে দেখি নাই। এত বড় সাহসী নেতা। সব নেতারা যদি কর্মীদের এই রকমভাবে ভালোবাসতো, তাহলে দেশে নেতার চাইতে কর্মী বেশি থাকত।

মোহাম্মদ রায়হান নামের একজন লেখেন, নেতা হতে হবে নেতার মতো বীর। লেজ গুটিয়া পালিয়ে যাওয়া কোনো ব্যক্তি নেতা হতে পারে না। বিএনপিতে যারা পথে নামতে ভয় পায় অথচ ঘরে বসে বড় বড় ডায়ালগ দেয়। তাদের কারনেই আজ বাংলাদশে এই খারাপ অবস্থা। হাজার সালাম ইশরাক ভাই আপনাকে। যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান।

কেএম সাব্বির নামের একজন লেখেন, আমি একজন ছাত্রলীগ কর্মী। এই ভিডিওটা বারবার দেখছি, একজন কর্মীর প্রতি নেতার ভালোবাসা, ওই কর্মীটা আসলেই ধন্য। বিএনপিকে শক্তিশালী করতে হলে বুড়ো মালদের সরিয়ে ইশরাক সাহেবদের হাতে নেতৃত্বে দিক, বিএনপি উজ্জ্বীবিত হবে।

সুত্র- যুগান্তর

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »