Ultimate magazine theme for WordPress.

ক্ষমতার দাপটে মানুষ কে মানুষ মনে করছে না বারুদী ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল হক।

0

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ সজিব হোসেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা সোনারগাঁ উপজেলা বারুদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জহিরুল হকের সাথে (৬) ফেব্রুয়ারী শনিবার দুপুরে সাক্ষাৎ করতে যায় কিছু সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মি তাকে না পেয়ে তার ফোনে ফোন করলে সে দুই ঘন্টা অপেক্ষা করার পর সে আসে, প্রথমে বিষয়টা শুনেন পরে সে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয় না। পরে এক পর্যায়ে রাজি হয়, তিনি বলেন তার ইউনিয়নে কোন করোনা নাই – সবাই মাক্স খুলে কথা বলেন। এবং তিনি ইউনিয়ন পরিষদে বসে সিগারেট খাচ্ছেন চার পাচঁজন নিয়ে ও একই সাথে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে থাকে , অবশেষে বিষয়টি তুলে ধরেন তার কাছে- এই যে ভুক্ত ভোগী দুই পক্ষের মধ্যে স্বামী- স্ত্রী পারিবারিক দন্ধ সালিশের জন্য তার কাছে একটা অভিযোগ দিতে এসেছে এক পক্ষ ছেলের বাবা ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সালিশ চায়,, চেয়ারম্যান জহিরুল হক বলেন, গতকাল আমার সাথে এক পক্ষ মেয়ের ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে আমি তার সাথে আলোচনা করে আপনার অভিযোগ নিবো আপনি অন্যদিন আসেন,,পরে বলে আপনার এ ধরনের বিচার সালিশ আমি করবো না আপনি মামলা দেন কোর্টে যান। কি এমন সাক্ষাৎ ছিলো আগের দিন? যে চেয়ারম্যান হয়ে প্রাথমিক অভিযোগ ও নিতে চায় না তিনি,যদিও তিনি আগে মেয়ের ভাইয়ের সাথে কথা বলে নিতে হবে কেন? আগে একটা অভিযোগ দেওয়ার অধিকার আছে সবার, এ বেপারে প্রশ্ন করায় ক্ষেপে উঠলেন জন প্রতিনিধি জহিরুল হক পরে সাংবাদিকদের সাথে দুর ব্যবহার করে, এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে সাংবাদিকের ক্যামেরা বন্ধ করে দেয় ও হুমকিদেয় এটা আমার এলাকা যা পারেন করেন একটা ভিডিও হবেনা বহু সাংবাদিক দেখছি মেয়ের ভাই আমার লোক আপনারা যা পারেন করেন ,, পরে সাংবাদিকের গোপন ক্যামেরায় তার বেপরোয়া আচরণ সংরক্ষিত করা হয়,,এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ফোরামের সদস্য এবং দৈনিক বাংলাদেশ ৭১ সংবাদ এর সহকারী সম্পাদক সাংবাদিক জান্নাত জাহা এবং বিশ্ব মানচিত্র পত্রিকার সোনারগাঁ প্রতিনিধি ও ক্রাইম টিভি বাংলার নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ সজিব হোসেন ও অনান্য আরো উপস্থিত সাংবাদিক তারা সেখান থেকে চলে আসে ও তথ্য সংরক্ষণ করেন যে মেয়ের ভাই মোঃ সালাউদ্দিন পিতাঃ মৃত মোঃ ছমির উদ্দিন মোল্লা (২৯) চেয়ারম্যানের সাথে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়ে ক্যাডার হিসেবে কাজ করে,,পরে পরিষদের সামনে যারা অপেক্ষায় আছে কোননা কোন কাজের জন্য সাধারণ মানুষ , চেয়ারম্যান সাহেবের বেপারে তারা সাংবাদিকদের কাছে বলেন সে টাকা খেয়ে বিচার করে তার ভয়ে স্থানীয় মহিলারা মুখ লুকিয়ে নাম না প্রকাশের অনুরোধ করে ক্যামেরায় সাক্ষ্য দেন এবং আমরা তার কাছে কোন কাজে আসলে দিনের পর দিন ঘুরি কিন্তু তাকে সঠিক সময়ে পাওয়া যায় না, আজকে ৪ দিন যাবৎ হয়রানি হচ্ছে সাধারণ মানুষ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »