Ultimate magazine theme for WordPress.

তুর্কীর ই-ভিসা নিবেন যেভাবে ?

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক ♦ 

ই – ভিসা আসলে কি ?
ই ভিসা হচ্ছে একটা অফিসিয়াল ডকুমেন্টস যা আপনাকে নির্দিষ্ট দেশের ভ্রমণের জন্য এন্ট্রি পারমিট হিসাবে কাজ করে. ই ভিসা হচ্ছে ইলেকট্রনিক ভিসা যা আপনি অনলাইনে আবেদন এবং অনলাইনে ভেরিফিকেশন করতে পারবেন নিজেই। আজকে মূলত যে দেশের ই-ভিসা সম্পর্কে আলাপ করব সেটা হচ্ছে রিপাবলিক অফ তুর্কি জা সবার কাছে তুরস্ক নামে পরিচিত। তাহলে চলুন দেখি কিভাবে আপনি ই ভিসার আবেদন করবেন।
কোন কোন দেশের নাগরিকেরা ই ভিসার আবেদনের সুযোগ পাবে !
তুর্কি ফরেইন মিনস্ট্রির ভাষ্যমতে ১০০ টির ও বেশি দেশের নাগরিকেরা তুর্কিশ ই ভিসার সুবিধা পাবেন। যেসব দেশের নাগরিকদের তুর্কির ই ভিসা নেয়ার সুযোগ আছে তাদের লিস্ট পাবেন এখানে – টার্কিশ ই ভিসা ইলিজিবল কান্ট্রিস। এটা শুধুমাত্র ভ্রমণ ব্যাবসায়িক কাজে তুর্কি যেতে চাইলে ই ভিসা নিতে পারবেন . জব ভিসা বা পড়াশুনার উদ্দেশ্যে যারা যাবেন তাদের জন্য মূলত তুর্কী দূতাবাস ও কনস্যুলেট ভিসা ইস্যু করে থাকে।
কিভাবে তুর্কির ই ভিসা পাবো ?
আপনি যদি তুর্কির ই ভিসার আবেদন করতে চান তাহলে আপনাকে নিচের ষ্টেপ গুলোর অনুসরণ করতে হবে.
আপনাকে প্রথমে এই www.evisa.gov.tr. ওয়েবসাইটে যেতে হবে. নিচের ছবিটির মত ওয়েবসাইট আসবে .
উপরের কর্নারের লাল বাটন @APPLY NOW@ ক্লিক করবেন। ২য় ছবিটি খেয়াল করুন .

  • ৩য় ধাপবে আপনি যে দেশের নাগরিক এবং আপনার পাসপোর্টের ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে সিকিউরিটি ভেরিফিকেশন শেষ করে সেভ এন্ড কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করুন।
  • ৪র্থ ধাপে আপনি কবে নাগাদ তুর্কি যাবেন সেটা সিলেক্ট করুন . এখানে আপনি আরো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেখতে পাবেন . আপনাকে কত দিনের ভিসা দেয়া হবে? কত টাকা ফি দিতে হবে ? সিঙ্গেল এন্ট্রি না মালট্রিপল এন্ট্রি ভিসা দিবে সব ৪র্থ ধাপে দেখতে পারবেন। ফি এবং এন্ট্রি ডাবল বা সিঙ্গেল দিবে সেটা দেশ বেধে ভিন্ন ভিন্ন হবে. নিচের ছবিটি দেখুন .
  • ৫ নামার স্টেপটি খুব গুরুত্বপূর্ণ . এখানে আপনি বাংলাদেশের পাশাপাশি কোনো দেশের ডকুমেটস ব্যাবহার করবেন তুর্কির ই ভিসা নিতে সেটা সিলেক্ট করতে হবে . যেমন আপনি যদি ইউরোপের কোনো সেনজেন ভুক্ত দেশের ভিসা/ রেসিডেন্স পারমিট বা ইউকে, ইউএসএ, আয়ারল্যান্ড  এর ভিসা/ গ্রিনকার্ড থাকে তাহলে আপনি তুর্কির ই ভিসার নেয়ার যোগ্য। এই সেকশনে আপনি যে সব রিকায়ারমেন্টস থাকলে ই ভিসা নিতে পারবে সোজা গুলো ই দেখতে পারবেন, আপনাকে  যে গুলো আপনার সাথে যায় আমি সেগুলো দেখে দেখে সিলেক্ট করবেন।  ছবিটি খেয়াল করুন নিচের .
  • ৬# আপনি আপনার সকল দরকারি তথ্যের ফিল আপ করবেন। তারপর সেন এন্ড কন্টিনিউ বাটনে ক্লিক করে নেক্সট যাবেন।  এর পর নিচের ছবিটি দেখুন .
  • আপনার দেয়া সকল তথ্যের ভেরিফিকেশন করে তারপর সাবমিট করবেন। আপনি আপনার ই মেইলে একটি কনফার্মেশন পাবেন। আপনার এপ্লিকেশন সাবমিট করার পর নিচের ছবির মত আসবে .৭# আপনি ইনবক্সে একটি ইমেইল পাবেন ই ভিসা পোর্টাল থেকে, কোনো কারণে ইনবক্সে না পেলে স্পাম বক্স কয়েক করুন। তারপর আপনি সেটা approve বাটনে ক্লিক করলে নতুন একটি ব্রাউজার ওপেন হবে. সেখানে আপনি পেমেন্টের অপশন পাবেন।৮#আপনি পেমেন্ট করে দিলে ব্যাস আপনার কাজ শেষ.নিচের ছবিটির মত আসবেন যেখানে আপনি আপনার এ ভিসা ডাউনলোড করার অপশন পাবেন।
  • ই-ভিসা মূলত একটি পেপার ব্যাসড ভিসা কপি. আপনাকে তুর্কি ভ্রমণের জন্য আপনার পাসপোর্ট, ই ভিসা সাপোর্টিং ডকুমেন্টস যেমন সেনজেন ভিসা, রেসিডেন্স পারমিট, ইউকে, ইউএসের ভিসা, এবং ডাউনলোড করা ই ভিসা কপি সাথে নিয়ে যেতে হবে. ইমিগ্রেশন অফিসারকে উল্লেখিত ডকুমেন্টস চাইলে দেখতে হবে অন্যথায় আপনার যাত্রা বাতিল হতে পারে।  ই ভিসা ডাউনলোড করলে দেখতে কেমন কেমন হবে তার কপি নিচের ছবিটি দেখেন
  • নোট – বাংলাদেশের পাসপোর্ট হোল্ডারদের জন্য তুর্কির ই ভিসা ফি এর পরিমান ৬০$ সম  পরিমান। আপনি ডেবিট/ক্রেডিট যেকোনো কার্ডের মাদ্ধমে পে করতে পারবেন।  আর আমি কোনো ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞ না. একজন ভ্রমনকারী হিসাবে বিভিন্ন দেশের ভিসা ও অভিবাসন সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করি, এই বেপারে কিছু জানতে সরাসরি তুর্কির অফিসিয়াল ই – ভিসা পোর্টাল   ঘুরে আসতে পারেন। অথবা মিনিষ্ট্রি অফ ফরেইন এফেয়ার্স তুর্কি   ঘুরে আসতে  পারেন . আর যারা  ই ভিসা না নিয়ে স্টিকারভিসা নিতে চান তারা কনস্যুলেট এর ওয়েবসাইটে গিয়ে স্টিকার ভিসার জন্য অনলাইনে pre-approval এর জন্য আবেদন করতে পারেন যাবতীয় ডকুমেন্টস অনলাইনে আপলোড করে. কনফার্মেশন আসার পর পাসপোর্ট আর ২ কপি ছবি ও সাপোর্টিং ডকুমেন্টস সহ দূতাসে যেয়ে স্টিকার ভিসা নিয়ে আসতে পারবেন, ধন্যবাদ  সবাইকে .

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »