Ultimate magazine theme for WordPress.

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: এবার আসামিদের আবেদনে পেছাল অভিযোগ গঠন

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক ♦

সিলেটের মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজের ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার অভিযোগ গঠন আবার পিছিয়েছে। আসমিপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১৩ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

আজ রবিবার সকালে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মো. মোহিতুল হকের আদালত এ সিদ্ধান্ত দেন। সকালে কঠোর নিরাপত্তায় এই মামলার ৮ আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এরআগে বাদীপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৩ জানুয়ারি চাঞ্চল্যকর এই মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ আরেকদফা পিছিয়েছিল।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রাশিদা সাইদা খানম জানান, আদালতে আজ এই মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ ছিল। তবে আসামিপক্ষ আরও দুদিন সময় বাড়ানোর আবেদন করলে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

তিনি বলেন, আজ আসামি তারেকুল ইসলাম তারেকের জামিন প্রার্থনা করেন তার আইনজীবী। তবে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

গত ৩ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করে এই মামলার অভিযোগপত্র প্রদান করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য।

অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম রাজন মিয়াকে সরাসরি ধর্ষণে সম্পৃক্ত এবং রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুমকে ধর্ষণের সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই আটজনই বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রবাসে স্বামীকে আটকে রেখে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে স্বামীকে নিয়ে শাহপরান মাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন নির্যাতনের শিকার তরুণী (২৫)। ফেরার সময় তারা গাড়ি থামিয়েছিলেন নগরের টিলাগড় এলাকার এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে। স্ত্রীকে প্রাইভেটকারে রেখে স্বামী পাশ্ববর্তী দোকানে গিয়েছিলেন। ওইসময় প্রাইভেটকারটি ঘিরে ধরে কয়েকজন তরুণ। প্রাইভেটকারসহ ওই দম্পতিকে তারা নিয়ে যায় বালুচর এলাকার এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের ভেতরে। সেখানে স্বামীর সামনেই গাড়ির ভেতর সংঘবদ্ধভাবে তরুণীকে ধর্ষণ করে ৬ তরুণ। পরে তাদের মারধর করে টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেয় ধর্ষকরা। আটকে রাখে তাদের গাড়িও।

ঘটনার রাতেই নির্যাতিতার স্বামী বাদী হয়ে নগরের শাহপরান থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন।

ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও ৩ দিনের মধ্যে ৬ আসামিসহ সন্দেহভাজন আরও ২ জনকে গ্রেফতার করে র‌্যাব ও পুলিশ। সন্দেহভাজন দুই গ্রেফতারকৃত হলেন- আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম রাজন মিয়া। গ্রেফতারের পর তাদের প্রত্যেককে ৫ দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ড শেষে সকলেই দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »