Ultimate magazine theme for WordPress.

প্রচুর পালং শাক খান, দূরে থাকবে জটিল রোগ!

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক ♦

বাজারে ইতোমধ্যেই মিলতে শুরু করেছে পালং শাক। এটি শুধু যে খেতেই ভালো তা নয়, পালং শাকের রয়েছে আরও হাজারটা গুণ! এক কাপ পালং শাক শরীরের দৈনিক ফাইবার চাহিদার ২০ শতাংশ পূরণ করে। পাশাপাশি, ভিটামিন এ ও কে-তে ভরপুর।

রয়েছে প্রোটিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিংক, ফলিক অ্যাসিড ও সেলেনিয়াম। সুস্থ থাকার জন্য এই উপাদানগুলো খুবই জরুরি।
পালং শাকে রয়েছে খুব কম পরিমাণ ক্যালরি। কাজেই ওজন বাড়ার চিন্তা না করে নির্ভয়ে যত ইচ্ছে খান। (১০০ গ্রাম পালং শাকে রয়েছে মাত্র ৭ কিলোক্যালরি)। পালং শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম যা হাই ব্লাড প্রেশার কমায়।
রয়েছে ভিটামিন-এ যা, লিম্ফোসাইট বা রক্তের শ্বেত কণিকার মাত্রা ঠিক রাখে। ফলে, দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি বৃদ্ধি পায়, শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণ ও রোগ থেকে বাঁচায়।
পালং শাকে রয়েছে ১০টিরও বেশি ভিন্ন ধরনের ফ্ল্যাভোনয়েড যা ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। এতে থাকা পলিনিউট্রিয়েন্টস শরীর থেকে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল বের করে দেয়।
সবুজ শাক সবজিতে গুরুত্বপূর্ণ ফাইটোকেমিক্যাল থাকে যা দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে। পালং শাকে রয়েছে উচ্চ মাত্রার বিটা ক্যারোটিন যা চোখে ছানি পড়ার ঝুঁকি কমায়।
এই শাকে থাকা ভিটামিন-এ ত্বকের বাইরের স্তরের আর্দ্রতা বজায় রাখে, ব্রণ, বলিরেখা দূর করে, ত্বককে বুড়িয়ে যেতে দেয় না, নরম-মসৃণ রাখে।
পালং শাক আয়রন- এ ভরপুর যা দেহে অক্সিজেন উৎপাদনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ডায়াবিটিস-এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, শরীরের ক্লান্তিভাব দূর করে।
যাদের জয়েন্টে ব্যথা, তারা অবশ্যই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পালং শাক রাখার চেষ্টা করবেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »