Ultimate magazine theme for WordPress.

‘দুদেশের অর্থনৈতিক নির্ভরতা আমরা আনন্দের সঙ্গে স্বীকৃতি দিই’

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সহযোগিতামূলক ঐকমত্য রয়েছে, তার সুযোগ নিয়ে দুই দেশই নিজ নিজ অর্থনীতিকে আরও সংহত করতে পারে।

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক ♦

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান পারস্পরিক নির্ভরতা আমরা আনন্দের সঙ্গে স্বীকৃতি দিই। বেশ কিছু সংখ্যক ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশের উৎপাদন ও সেবাখাতে নিযুক্ত রয়েছেন এবং তারা ভারতে নিজ দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে থাকেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যটক এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণকারী ভারতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে নতুন রেল যোগাযোগের উদ্বোধন শেষে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে সফর বন্ধ থাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দিল্লিতে তার দফতর থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠকে যোগ দেন।

আজ বেলা সাড়ে ১১টায় দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর এ বৈঠক শুরু হয়।  পরে দুই নেতার ভাষণের পরপরই দুপুর ১২টার দিকে ৫৫ বছর পর ‘চিলাহাটি-হলদিবাড়ি’ রেলসংযোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

আজকের বৈঠকে দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যেভাবে এগোচ্ছে, তা প্রশংসনীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সহযোগিতামূলক ঐকমত্য রয়েছে, তার সুযোগ নিয়ে দুই দেশই নিজ নিজ অর্থনীতিকে আরও সংহত করতে পারে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার ভাষণে বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে বরাবরই প্রাধান্য দেয় ভারত।

তাদের এ বৈঠকের আগে ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি, সামাজিক উন্নয়ন, কৃষিসহ সাতটি বিষয়ে সহযোগিতার লক্ষ্যে সাতটি কাঠামো চুক্তি, প্রটোকল ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »