Ultimate magazine theme for WordPress.

ব্রাজিলের ৩৭তম রাষ্ট্রপতি মিশেল তেমেরের বাবা মা ছিলেন লেবানীয় ।

সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর সাও পাওলো পন্টিফিকাল ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী নেন। সাও পাওলোয় রাষ্ট্রীয় আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ও দুইবার জননিরাপত্তাবিষয়ক স্বরাষ্ট্র সচিব ছিলেন তিনি।

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা ব্রাজিল ডেস্ক♦

মিশেল মিগেল এলিয়াস তেমের লুলিয়া । জন্ম: ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৪০ ব্রাজিলের প্রথিতযশা আইনজীবী, কবি ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ।  তিনি ব্রাজিলের ৩৭তম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি দিলমা রুসেফের অভিশংসন প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হওয়ায় ৩১ আগস্ট, ২০১৬ তারিখ থেকে উত্তরসূরি হিসেবে তার এ দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন মিশেল মিগেল এলিয়াস তেমের লুলিয়া । এরপূর্বে ১২ মে, ২০১৬ তারিখ থেকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের পূর্বে উপ-রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন মিশেল তেমের। ২০১০ সালের নির্বাচনে উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে জয়ী হন ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে পুণঃনির্বাচিত হন তিনি।

সাও পাওলোর তিতে এলাকায় জন্মগ্রহণকারী তেমেরের পিতা মিগেল এলিয়াস তেমের লুলিয়া এবং মাতা মার্চ বারবার লুলিয়া। তারা লেবানীয় ছিলেন । ১৯২৫ সালে ব্রাজিলে অভিবাসিত হন তারা। প্রথমে বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী অস্থিতিশীল অবস্থার কবলে পড়ে বড় তিন ভাই-বোনকে নিয়ে ব্রাজিলে চলে আসেন। ব্রাজিলে অবস্থানকালে তাদের সংসারে আরও পাঁচ সন্তানের জন্ম হয়। তন্মধ্যে, তেমের ছিলেন সর্বকনিষ্ঠ।

তেমের স্বাচ্ছন্দ্যে আরবি ভাষায় কথা বলতে পারতেন না কিন্তু ঐ ভাষায় মতবিনিময়কালে বিষয়বস্তু অনুধাবন করতে সক্ষম ছিলেন। রোমান ক্যাথলিক চার্চে দীক্ষিত তিনি।

সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। এরপর সাও পাওলো পন্টিফিকাল ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রী নেন। সাও পাওলোয় রাষ্ট্রীয় আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ও দুইবার জননিরাপত্তাবিষয়ক স্বরাষ্ট্র সচিব ছিলেন তিনি। নিবন্ধিত সাংবিধানিক অধ্যাপক হিসেবে বেশ কিছুসংখ্যক আইনবিষয়ক গ্রন্থের প্রণেতা তিনি।

১২ মে, ২০১৬ তারিখে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী রুসেফের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়ার শুনানি শুরু হলে তেমেরের কাছে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা চলে আসে ও সাময়িক নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ায় রুসেফের পরিবর্তে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মনোনীত হন। ২০১৬ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে উপস্থিত থাকেন।

৩১ আগস্ট, ২০১৬ তারিখে সিনেটে ৬১-২০ ব্যবধানে রুসেফকে স্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে বিতাড়িত করা হয়। ফলশ্রুতিতে তেমেরকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব দেয়া হয়। তিনি রুসেফের দ্বিতীয় মেয়াদকালের বাদ-বাকি সময় ১ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »