Ultimate magazine theme for WordPress.

পঞ্চমবার ট্রফি জিততে মুম্বাইর হাতে আছে সেরা অস্ত্র

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক ♦

আইপিএলে সবচেয়ে সফল দল কোনটি? চোখ বন্ধ করে যে কেউ বলে দেবে, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের নাম। গত মৌসুমের ফাইনালে আরেক শক্তিশালী দল চেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে চতুর্থবারেরমত শিরোপা জিতেছিল মুম্বাই। এবারও তারা ফাইনালে। এবার পঞ্চম শিরোপার লক্ষ্যে মঙ্গলবার তারা মাঠে নামবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে।

দিল্লিও এবার খুব শক্তিশালী একটি দল। তেরোতম আইপিএলের শুরু থেকে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আসছে তরুণ অধিনায়ক স্রেয়াশ আয়ারের নেতৃত্বাধীন দলটি। ব্যাটিং-বোলিং কিংবা ফিল্ডিং- কোনো অংশেই কম নয় তারা। বরং, দিল্লির দলটিতে এত বেশি তারকার ছড়াছড়ি, যে কেউ একজন জ্বলে উঠলেই কেল্লাফতে। শিরোপা নিশ্চিত জিতে নেবে তারা।

যদিও ধারে ও ভারে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সই সেরা দল। স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক মিলিয়ে দারুণ ভারসাম্যপূর্ণ একটি দল মুম্বাই। পুরনো অভিজ্ঞতার আলোকেই ফাইনাল জয়ের জন্য সব অস্ত্রেই শান দিয়ে রাখছে রোহিত শর্মারা। তবে, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স আজই সংবাদ সম্মেলনে জানিয়ে দিলো, পঞ্চমবার শিরোপা জয়ের জন্য কি কি অস্ত্র আছে তাদের হাতে।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স জানিয়ে দিলো মঙ্গলবারের ফাইনালে তাদের তুরুপের তাস জসপ্রিত বুমরাহ। এবারের আইপিএলে এখনও পর্যন্ত ১৪ ম্যাচে ২৭ উইকেট নিয়েছেন তিনি। মুম্বাইকে ফাইনালে তোলার নেপথ্যে কারিগরও তিনি। তবে, দলটির আরেক অস্ত্র হচ্ছেন হার্দিক পান্ডিয়া। বেশ কিছু ম্যাচে শেষ মুহূর্তে ঝড়ো ব্যাটিং করে দলকে জয়ের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে দিয়েছেন তিনি।

দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ফাইনালের আগে মুম্বাইর প্রধান কোচ মাহেলা জয়াবর্ধনে টুইটারে এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘গত ২-৩ বছরে বোলার হিসেবে অনেক পরিণত হয়েছে বুমরাহ। বোলিং বিভাগকে নেতৃত্ব দিচ্ছে সে। দায়িত্বও নিচ্ছে। বড় ক্রিকেটাররা জ্বলে ওঠে বড় মঞ্চে। আর বুমরার ক্ষেত্রেও এর কোনও ব্যতিক্রম হবে না।’

মুম্বাইর বোলিং কোচ শেন বন্ড বলছেন, ‘বিশ্বের সেরা টি-টোয়েন্টি বোলারকে সামনে থেকে দেখতে পাওয়া সৌভাগ্যের।’ ২০১৭ ও ২০১৯ সালের আইপিএলের ফাইনালের উদাহরণ টেনে আনছেন শেন বন্ড। তিনি বলছেন, ‘ফাইনালে কম রান উঠলেও বুমরা দলে থাকা মানেই বিশ্বাস থাকে জেতার।’

সেই দুই ফাইনালেই টানটান উত্তেজনার মধ্যে ১ রানে জিতেছিল মুম্বাই। ২০১৭ সালে ১২৯ তুলে রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টকে আটকে দিয়েছিল ১২৮ রানে। ২০১৯ সালে ১৪৯ তুলে চেন্নাই সুপার কিংসকে আটকে দিয়েছিল ১৪৮ রানে। এই দুই ফাইনালে বুমরার বোলিং গড় ছিল যথাক্রমে ২/১৪ ও ২/২৬।

বন্ড বলেন, ‘বুমরা সবসময় উন্নতির রাস্তায় থাকে। আমার মতে, এটাই অনুপ্রেরণার। আর আমাদের দলে বেশ কয়েকজন বিশ্বমানের ক্রিকেটার রয়েছে। সে ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স মেলে ধরে। তাকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামা বিশাল বড় সুবিধা।’

স্বয়ং জসপ্রিত বুমরা আবার উপভোগ করেন টেনশনের মুহূর্ত। তিনি বলেছেন, ‘আইপিএল ফাইনালের মতো ম্যাচ হল হাই প্রেশার গেম। প্রত্যেকেই এই ম্যাচ দেখছে। সবার নজর থাকে। ফলে সবসময়ই সজাগ থাকতে হয়; কিন্তু আমরা এই ধরনের ম্যাচে স্নায়ুর উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পেরেছি। তাই বোর্ডে কম রান উঠলেও আমরা তা নিয়ে জিততে পেরেছি।’

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »