Ultimate magazine theme for WordPress.

তুরস্ক-গ্রিসে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

0

©ক্রাইম টিভি অনলাইন ডেস্ক♦

তুরস্কের ইজিয়ান সাগরের উপকূলীয় এলাকা ও গ্রিসের উত্তরাঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যার দিকে এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে উভয় দেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তুরস্কের দৈনিক ডেইলি সাবাহ বলছে, ভূমিকম্পে তুরস্কের তৃতীয় বৃহত্তম শহর ইজমিরে বেশ কিছু ভবন ধসে পড়েছে। এছাড়া আরও বেশ কিছু অঞ্চল থেকে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য আসতে শুরু করেছে।

মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপসংস্থা ইউএসজিএস বলছে, তুরস্কের ইজমির প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূল থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড হয়েছে। ভূমিকম্পে গ্রিসের রাজধানী এথেন্স এবং তুরস্কের ইস্তাম্বুলেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তবে তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বলছে, পশ্চিমাঞ্চলীয় ইজমির প্রদেশের সেফারিহিসারে শক্তিশালী ৬ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ইজিয়ান সাগরের সাড়ে ১৬ কিলোমিটার গভীরে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে।

ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত দুই দেশে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ইজমির শহরে বেশ কিছু ভবন ধসে পড়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, শুক্রবারের এই কম্পন গ্রিসের রাজধানী এথেন্সসহ ক্রিট দ্বীপেও অনুভূত হয়েছে। এ দুই দেশে প্রায়ই ভূমিকম্প আঘাত হানে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইজমির শহরে ধসে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তুপের নিচে তল্লাশি চালাচ্ছেন স্থানীয়রা। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ভূমিকম্পের সময় তুরস্কের ইস্তাম্বুল, ইজমির ও অন্যান্য শহরের বাসিন্দারা বাড়ি-ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। একই দৃশ্য দেখা যায় গ্রিসেও।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেইমান সোয়লু বলেছেন, ইজমিরের বায়রাকলি এবং বোর্নোভা জেলায় অন্তত ছয়টি ভবন ধসে পড়েছে। এছাড়া এই ভূমিকম্পে উসাক, দেনিজলি, মনিসা, বালিকেসির, আয়দিন এবং মুগলা প্রদেশেও হালকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

১৯৯৯ সালে তুরস্কের ইজমিরে শক্তিশালী এক ভূকম্পনে অন্তত ১৭ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »