Ultimate magazine theme for WordPress.

চশমা আবিস্কারের ইতিহাস

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক♦

যারা চোখে কম দেখেন অর্থাৎ দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ তাদের কাছে চশমা একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিষ। তবে শুধু দৃষ্টিশক্তি নয়, বর্তমানে ফ্যাশনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে বাহারি রকমের চশমা পরেন অনেকেই। প্রয়োজন কিংবা ফ্যাশন যাই হোক, চশমা এখন বেশিরভাগ মানুষেরই নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। আপনি জানেন কি কীভাবে এই চশমার ব্যবহার শুরু হয়েছিলো। না জেনে থাকলে চলুন জেনে নিই চশমার আবিস্কার, প্রচলন ও বিবর্তনের ইতিহাস।

হায়ারোগ্লিফিক লিপিতে চিত্রিত বর্ণনায় প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতায় চশমার ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছেন ইতিহাসবিদেরা। মিসরীয় সভ্যতায় কাচ ও আতশ কাচের ব্যবহারের প্রমাণও মিলেছে। তবে তাকে আধুনিক চশমার আদি রূপ বলা যায় না। আধুনিক চশমার উদ্ভাবন ও ব্যবহারের প্রথম প্রমাণ পাওয়া যায় ইতালিতে। দ্বাদশ শতকে একটি কাঠের ফ্রেমে দু’টি কাচ আটকে প্রথম দৈনিক ব্যবহারের জন্য চশমার উদ্ভাবন ও ব্যবহার শুরু হয়। এই সময় চশমা সব সময় হাতে ধরে থাকতে হতো।

জিওর্দানো দ্য পিসার তৈরি চশমার নকশাকে আধুনিক চশমার আদি রূপ বলে মনে করেন অনেক ইতিহাসবিদ। তবে এই নকশাতেও চশমা সর্বক্ষণ হাতে ধরেই ব্যবহার করতে হতো। ইতালি ও পরে স্পেনে ধীরে ধীরে চশমার ব্যবহার ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে।

জিওর্দানো দ্য পিসা চশমার নকশা তৈরির প্রায় সাড়ে চারশো বছর পর বদল আসে চশমার সাবেকি নকশায়। দু’কানে সঙ্গে জুড়ে যায় চশমার ফ্রেমের দুই হাতলের মতো অংশ। ফলে হাতে ধরে রেখে চশমার ব্যবহারের দিন ফুরিয়ে জন্ম হয় এর আধুনিক নকশার। এই নকশা তৈরি করেন ব্রিটিশ চশমা বিক্রেতা ও বাদ্যযন্ত্র প্রস্তুতকারক এডওয়ার্ড স্কারলেট।

এরপর ধীরে ধীরে চশমার হাতলের মতো অংশে কবজা জুড়ে দেয়া হয়, যাতে সেটি ভাঁজ করে রাখা সম্ভব হয়। এর পর ধাপে ধাপে নানা বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে চশমার নকশা ক্রমশ আধুনিক হয়ে উঠেছে।

সূত্র : ইন্টারনেট

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »