Ultimate magazine theme for WordPress.

প্রেসিডেস্ট’স কাপ ট্রফি উন্মোচন করলেন তিন অধিনায়ক

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা ডেস্ক♦

প্রেসিডেস্ট’স কাপ ট্রফি! তামিম ইকবালের নাকি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের অথবা নাজমুল হোসেন শান্তর? সে কথা এখুনি বলা যাচ্ছে না। তাছাড়া খেলাটি যেহেতু ক্রিকেট সেহেতু আগ বাড়িয়ে বলাটা ঠিক না। কেননা চকিতেই এখানে ম্যাচের চিত্রনাট্য বদলে যায়। তবে আপাতত এই তিনজনই ট্রফি নিজেদের বলে আশাবাদ ব্যক্ত করতে পারেন। তবে তিন অধিনায়ক তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ ও নাজমুল হাসান শান্তর কণ্ঠে লড়াই জমিয়ে তোলার প্রত্যয় ঠিকই শোনা গেল। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তিন অধিনায়কেরই চাওয়া প্রেসিডেন্ট’স কাপের শিরোপা জয়।

আজ শনিবার (১০ অক্টোবর) টিম হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে তারা এই অনুষ্ঠানে অংশে নেন।

টুর্নামেন্ট ঘিরে বিসিবির আয়োজনে যথেষ্টই চোখে পড়ছে, এটি ওজন ও গুরুত্ব বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা। টিম হোটেলে জৈব-সুরক্ষা বলয়ে রাখা হচ্ছে তিন দলের ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফসহ ৬০ জনের বেশি মানুষকে। শনিবার দুপুরে টিম হোটেলে বেশ ঘটা করে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠান হলো।

রবিবার প্রথম ম্যাচ শুরুর আগে ছোটখাটো একটি উদ্বোধনী আয়োজনও থাকছে। থাকছে চ্যাম্পিয়ন-রানার্সআপের প্রাইজমানি, ম্যাচ সেরা ও টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার। সব ম্যাচ দিবা-রাত্রির, বিসিবির ফেইসবুক পাতা থেকে সরাসরি স্ট্রিমিং করা হবে সবকটিই।

ক্রিকেটারদের উত্তেজনাও তাতে স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে। স্কিল ক্যাম্পে এর মধ্যেই দুটি দুই দিনের ম্যাচ তারা খেলেছেন। তবে স্রেফ ম্যাচ অনুশীলনের চেয়ে একটু বেশি কিছুই হতে যাচ্ছে এই প্রেসিডেন্ট’স কাপ ওয়ানডে টুর্নামেন্ট। টুর্নামেন্ট শুরুর আগের দিন তিন অধিনায়কের ভাবনায়ও ফুটে উঠল সেসব।

তামিম ইকবাল বলেন, আমাদের দল ভালো। আসলে দলের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো মাঠে কে কেমন পারফর্ম করে। কিছুটা ‘যদি-কিন্তু’ সব দলেই থাকবে। আমি বলতে পারি, ‘অমুক থাকলে ভালো হতো, তমুক থাকলে ভালো হতো।’ আমি নিশ্চিত অন্য অধিনায়কেরাও তেমনি বলবে।

মাহমুদউল্লাহ জানালেন, প্রত্যাশা অবশ্যই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। যারা প্রতিশ্রুতিশীল ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে সেরা, তারা সবাই খেলছে। এটা আমাদের নিজেদের ভেতরে ভালো একটা প্রতিযোগিতা। প্রমাণ করার মঞ্চও। অনেক দিন পর যেহেতু আমরা মাঠে নামছি। সবার ভেতর একটা কৌতুহল, উদ্দীপনা  কাজ করবে।

নাজমুল হোসেন শান্ত বললেন, অবশ্যই ভালো লাগছে (টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে)। কখনোই তো এরকম হয়নি যে এতদিন মাঠের বাইরে ছিলাম। এরকম একটা সিরিজ শুরু হচ্ছে, অবশ্যই অনেক রোমাঞ্চিত। আশা করছি, খুব ভালো একটা সিরিজ হবে।

তামিম একাদশ: তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মোহাম্মদ মিঠুন, শাহাদাত হোসেন, ইয়াসির আলী রাব্বি, আকবর আলী, এনামুল হক বিজয়, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান, খালেদ আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, তাইজুল ইসলাম ও মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি।

স্টান্ডবাই: শফিকুল ইসলাম, মাহিদুল অঙ্কন ও মেহেদী হাসান রানা।

মাহমুদউল্লাহ একাদশ:

মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), নাঈম শেখ, লিটন কুমার দাস, মুমিনুল হক, মাহমুদুল হাসান, নুরুল হাসান সোহান, সাব্বির রহমান, ইমরুল কায়েস, হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসেন, রুবেল হোসেন, মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী, মেহেদি হাসান মিরাজ, রাকিবুল হাসান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।

স্টান্ডবাই: আবু হায়দার রনি, সানজামুল ইসলাম ও হাসান মুরাদ।

নাজমুল একাদশ:

নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মুশফিকুর রহিম, তাওহিদ হৃদয়, ইরফান শুক্কুর, পারভেজ হোসেন ইমন, তাসকিন আহমেদ, আল-আমিন হোসেন, আবু জায়েদ রাহি, মুকিদুল ইসলাম, নাঈম হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন।

স্টান্ডবাই: সুমন খান, সাদমান ইসলাম ও তানভির ইসলাম।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »