Ultimate magazine theme for WordPress.

মহিলাদের জন্য সবচেয়ে নিকৃষ্ট ৫টি দেশ

গুয়াতেমালার দরিদ্র মহিলারা ঘরোয়া সহিংসতা ও ধর্ষণের স্বীকার। সাব সাহারান আফ্রিকার পর দ্বিতীয় সর্বচ্চ এইচআইভি/ এইডস এর দেশ হিসেবে পরিচিত গুয়াতেমালা দেশ।

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা ডেস্ক♦

একবিংশ শতাব্দীর নারীরা আত্মবিশ্বাসে সমৃদ্ধ। তারা স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যে প্রদীপ্ত। কিন্তু আমাদের পৃথিবীর প্রায় ৩.৩ কোটি মহিলা আজ পর্যন্ত সাইবার বয়স স্পর্শ করে নাই। প্রতি বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু, আজও অনেক নারী আছে যারা সহিংসতা, নির্যাতন, বিচ্ছিন্নতা, বলপূর্বক অজ্ঞতা এবং বৈষম্যের শিকার। তারা সকল বয়সেই বিভিন্ন নির্যাতনের শিকার।
এখানে, মহিলাদের বসবাসের জন্য কিছু নিকৃষ্ট দেশের নাম দেয়া হল-

১. চাদ:
চাদ রাষ্ট্রে নারীদের খুব কম অধিকার রয়েছে। সেখানে আজও পর্যন্ত পরিবারের মতে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। মেয়েদের বয়স ১১ ও ১২ বছর হলেই তাদের বিয়ে দেয়া হয়। চাদের পূর্ব দিকের শহর সুদানে উদ্বাস্তু শিবিরে মেয়েরা বেশী নির্যাতিত হয়। সেখানে নারী ধর্ষণ ও বিভিন্ন সহিংসতা করা হয়। শিবিরের বাহিরে বিরোধী পক্ষের সশস্ত্র বাহিনী হয়রানি ও শারীরিক আক্রমন করে। নারীরা সেখানে কোন স্থানে নিরাপদ নয়।

২. আফগানিস্তান:
আফগানিস্তানের মহিলাদের গড় আয়ু হল ৪৫। পুরুষের তুলনায় এক বছর কম। তিন দশক ধরে যুদ্ধ, অত্যাচার ও নিপীড়ন এর পরে এখনও আফগানের নারীরা শিক্ষিত নন। আইনানুযায়ী আফগান নারীদের তাদের উপর আক্রমনকারী বা তাদের ধর্ষককে বিয়ে করার জন্য বাধ্য করা হয়। সেখানে বেশিরভাগ মেয়েদের বিয়ে ১৬ বছরের কম বয়সে হয়ে যায়। সন্তান প্রসবের সময় প্রতি আধ-ঘণ্টায় একজন মারা যায়। প্রায়, ৮৫ শতাংশ নারী সন্তান প্রসবের জন্য কোন চিকিৎসার শরণাপন্ন হন না। বিশ্বের সবচেয়ে মাতৃমৃত্যু হার বেশী এই দেশে।

৩. সুদান:
সুদানের নারীরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করার পর, সেখানে নারী সংস্কার আইন প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু পশ্চিম সুদানে অপহরণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক স্থানচ্যুতির ঘটনা চলতে থাকে। ২০০৩ সাল থেকে এই পর্যন্ত প্রায় এক লাখ নারীর জীবন ধ্বংস করা হয়েছে।

৪. গুয়াতেমালা:
গুয়াতেমালার দরিদ্র মহিলারা ঘরোয়া সহিংসতা ও ধর্ষণের স্বীকার। সাব সাহারান আফ্রিকার পর দ্বিতীয় সর্বচ্চ এইচআইভি/ এইডস এর দেশ হিসেবে পরিচিত গুয়াতেমালা দেশ।

৫. মালি:
বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোর মধ্যে একটি হল মালি। এখানে নারীদের অঙ্গহানি নির্যাতন করা হয়। তাদের মধ্যে বেশীরভাগ নারীর বাল্য-বিবাহ দেয়া হয়। প্রতি ১০ দশের মধ্যে একজন নারী সন্তান প্রসবকালে মারা যান। মালিতে নারীদের প্রতি এইসব অবিচারের জন্য কোন আইন নেই। তারা প্রতিনিয়ত এসবের শিকার হচ্ছে।

প্রতি বছর আমরা নারী দিবস পালন করলেও, এখনও অনেক নারীরা নির্যাতনের শিকার। সারা বিশ্ব থেকে এসব সহিংসতা দূর করতে হবে।–সূত্র: ওয়ান্ডার লিস্ট।

সম্পাদনা: ফাতেমা তুজ জোহুরা।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »