Ultimate magazine theme for WordPress.

দুই কিশোরী গণধর্ষণে কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্য আটক

আশুলিয়ায় দুই কিশোরীকে ১২ জন মিলে গণধর্ষণের অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলো- আলামিন, জাকির, রাকিব ও সারুফ।

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক 

ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় দুই কিশোরীকে ১২ জন মিলে গণধর্ষণের অভিযোগে কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। আটকরা হলো- আলামিন, জাকির, রাকিব ও সারুফ। মঙ্গলবার গভীর রাতে আশুলিয়ার ভাদাইল ও আশপাশের এলাকা থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল দুপুরে খুলনা থেকে প্রধান অভিযুক্ত সারুফকে আটক করা হয়। বাকিরা পলাতক রয়েছেন। ঘটনার ৩৫ দিন পর গণধর্ষণের ভিডিও ফাঁস হলে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে। এ ছাড়া ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেলের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছে।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়া কিশোর ইসরাফিল জানায়, আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকায় ভাড়া থেকে চুল কারখানায় কাজ করত ভুক্তভোগীরা। গত ৩০ আগস্ট তারা চারজন (দুই ছেলে ও দুই মেয়ে) ভাদাইলের গুলিয়ারচকে বেড়াতে যায়। এ সময় তাদের চারপাশ দিয়ে ঘিরে ফেলে প্রিন্স কিশোর গ্যাংয়ের ১২ থেকে ১৪ সদস্য। একপর্যায়ে দুজনকে মারধর শেষে এক জায়গায় বসিয়ে রাখে। আর দুই কিশোরীকে আড়ালে নিয়ে ১২ জন কিশোর জোরপূর্বক ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে। ভিডিও ফাঁস হলে ভুক্তভোগীরা গ্রামে চলে যেতে বাধ্য হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনার প্রায় এক মাস পর কিশোর গ্যাংয়ের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে ধারণ করা ভিডিও ফাঁস হয়ে যায়। এরপর প্রধান অভিযুক্ত সারুফের বাবা আকবর আলী প্রিন্স কিশোর গ্যাংয়ের অন্যান্য সদস্যসহ অভিযুক্তদের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে স্থানীয় মাদবরদের নিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক আসওয়াদুর রহমান জানান, ভিডিও ফাঁস হওয়ার পরপরই কোনো অভিযোগ না পেলেও তদন্তে নামে থানা পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে তিন গ্যাং সদস্যকে আটক করেছে। বাকিদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মোবাইল ফোনে ভাদাইল এলাকায় দুই কিশোরীকে গণধর্ষণের একটি ভিডিও কে বা কারা ছড়িয়ে দেয়। বিষয়টি পুলিশের নজরে এলে তদন্তে নামে এবং গণধর্ষণে জড়িত থাকার অভিযোগে ভাদাইল ও আশপাশের এলাকা থেকে তিন কিশোরকে আটক করে। পরে খুলনা থেকে দুপুরে আটক করা হয় প্রধান অভিযুক্ত সারুফকে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »