Ultimate magazine theme for WordPress.

পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক ৫টি বিমানবন্দর

0

ক্রাইম টিভি বাংলা ডেস্ক →

উড়োজাহাজ আবিষ্কারের পর থেকে আকাশে ওড়াটা আরো সহজ হয়ে গেছে। আকাশ যাত্রা খুবই রোমাঞ্চকর কিন্তু পৃথিবীতে এমন কিছু এয়ারপোর্ট আছে যেখানে উড়োজাহাজ ওঠা নামা করাটা খুবই বিপদজনক। মাত্র একটা ভুল ডেকে আনতে পারে হাজারো মানুষের মৃত্যু।

 ১. লুকলা এয়ারপোর্ট নেপাল:
আপনি এভারেস্টের চূড়ায় চড়তে চাইলে লুকলা এয়ারপোর্টে আসতেই হবে। কারণ মাউন্ট এভারেস্টে চড়ার জন্য লুকলাতে বেস ক্যাম্প বানানো হয়েছে। এখানকার পাহাড়ি হাওয়া এবং ভয়ংকর প্রাকৃতিক পরিবেশ এই এয়ারপোর্টকে বিপদজনক করে তুলেছে। এয়ারপোর্টের রানওয়ে যেখানে শেষ হয়েছে সেখান থেকে শুরু হয়েছে গভীর খাঁদ।

২. টনকন্টেন এয়ারপোর্টঃ
হন্ডুরাসের তেগুসিগালপাতে অবস্থিত সিলি ও মিলিটারি এয়ারপোর্ট। এখানে আপনি কখনো যেতে চাইবেন না। কারণ এখানে আকাশে ওড়া এবং ল্যান্ডিং করাটা হল একটা ভয়ংকর স্বপ্নের মত। এই এয়ারপোর্ট সমুদ্রতল থেকে প্রায় ৩ হাজার ২৯৭ ফিট উঁচুতে অবস্থিত এবং এর রানওয়ে ৭০৯৬ ফুট লম্বা। এই এয়ারপোর্টি চারিদিক থেকে উঁচু পাহাড় দ্বারা আবৃত।

৩. করচিভেল এয়ারপোর্ট ফ্রান্সঃ
ফ্রান্সে অবস্থিত এই এয়ারপোর্টের রানওয়েটি খুবই ছোট। এই এয়ারপোর্ট সমুদ্রতল থেকে প্রায় ৬ হাজার ৫৮৮ ফিট উঁচুতে অবস্থিত এবং এর রানওয়ে মাত্র ১৭৬২ ফুট লম্বা।উঁচু পাহাড় এবং বরফ দ্বারা আবৃত এই এয়ারপোর্টে বিমান অবতরণ করাটা খুবই বিপদজনক। এই এয়ারপোর্টি বিশ্বের ভয়ংকর ও বিপদজনক এয়ারপোর্টি গুলির মধ্যে অন্যতম, কারণ এর রানওয়েটি সমতল নয়।

৪. গিবরল্টার এয়ারপোর্টঃ
ব্রিটেনের নিকটে ৬.৮ বর্গকিলোমিটার জুড়ে জিব্রাল্টার দ্বীপে পুঞ্জে অবস্থিত এই এয়ারপোর্টি পৃথিবীর একমাত্র এয়ারপোর্ট যার রানওয়ে মাঝখান দিয়ে একটি রাস্তা চলে গেছে। সমুদ্রতল থেকে এই এয়ারপোর্টের উচ্চতা মাত্র ১৫ ফিট এবং এর রানওয়েটি মাত্র ৫৫১১ ফুট লম্বা। জায়গা কম থাকার জন্য যখন এই রানওয়ে দিয়ে বিমান ওঠানামা করে তখন এর রানওয়ে মাঝখানে অবস্থিত রাস্তাটিকে ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

৫. প্রিন্সেস জুলিয়ানা এয়ারপোর্টঃ
প্রিন্সেস জুলিয়ানা এয়ারপোর্ট ক্যারিবিয়ান দ্বীপে অবস্থিত। এটি অদ্ভুত ও রোমাঞ্চকর দৃশ্যের জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত। এই এয়ারপোর্ট সমুদ্র সৈকতের কাছে অবস্থিত হওয়ার জন্য। যখন এখানে দিয়ে বিমান ওঠানামা করে, সেই সময় সেখানে উপস্থিত মানুষেরা খুবই রোমাঞ্চিত এবং ভয়ে ভীত হয়। তবুও প্রচুর মানুষ এই রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হওয়ার জন্য এই সমুদ্রসৈকতে এসে ভিড় জমায়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »