Ultimate magazine theme for WordPress.

ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও কার্নিভাল এর ইতিহাস দুইশ বছরের পুরোনো।

সাম্বা নৃত্যের উৎপত্তি মূলত পথ সঙ্গিত এবং আফ্রিকান দাস সঙ্গিতের সংমিশ্রণে,তবে বর্তমানে এর দুর্নিবার তাল এবং লয় একে রিও কার্নিভালের প্রধান নৃত্যে রূপান্তর করেছে এবং এটা তাদের আঞ্চলিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা ডেস্ক ♦ 

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কার্নিভাল এটি। প্রতিবছর ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে এ কার্নিভাল হয়। পৃথিবী বিখ্যাত এ কার্নিভালের ইতিহাস দুইশ বছরের পুরোনো।ব্রাজিলের ধর্মীয় উপসনারে চারদিন পূর্ব থেকে এই কার্নিভাল শুরু হয়।যদিও এই কার্নিভাল ব্রাজিলের বিভিন্ন অঞ্চলে হয় কিন্তু রি ডিও জেনেরিও কে কার্নিভালের রাজধানী বলা হয়।কার্নিভাল শনিবার শুরু হয়ে ঠিক মঙ্গলবার শেষ হয়ে যায়, বুধবার থেকে ব্রাজিলের ধর্মীয় পর্ব শুরু হয়।রিও কার্নিভাল বরাবরই পর্যটকদের কাছে ভিষণ আকর্ষনের বিষয়।
বর্তমানে যে কার্নিভাল সম্পর্কে আমরা জানি সেটা মূলত ইউরোপীয়ান কার্নিভালের কায়দায় উৎসব কে আরো সুসজ্জিত করার লক্ষ্যে শুরু হয়।মুখোশ এবং দামি পোশাক পরে শহরের অভিজাতরা তাদের খোলা বাহনে করে রাস্তায় নেমে আসে এবং প্যারেডে অংশগ্রহণ করে।সকালের প্রথম প্রহর থেকে সারাদিন ব্যাপী নাচ,গান,খাওয়া দাওয়া এবং পান করার মধ্যে দিয়ে উৎসব পালিত হয়।সমস্ত মানুষ রাস্তায় নেমে আসে এবং নাচ,গান ও আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে এবং এই নৃত্য গীতই আমাদের কাছে সাম্বা প্যারেড নামে পরিচিত।মানুষ উজ্জ্বল রঙিণ পোশাকে সজ্জিত হয়ে এই প্যারেডে অংশগ্রহণ করে।প্যারেডে প্রদর্শিত সাম্বা নৃত্য লাতিন আমেরিকার বিখ্যাত নৃত্য।যা সারা বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
সাম্বা নৃত্যের উৎপত্তি মূলত পথ সঙ্গিত এবং আফ্রিকান দাস সঙ্গিতের সংমিশ্রণে,তবে বর্তমানে এর দুর্নিবার তাল এবং লয় একে রিও কার্নিভালের প্রধান নৃত্যে রূপান্তর করেছে এবং এটা তাদের আঞ্চলিক পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
ফেব্রুয়ারির ২২ এবং ২৩ তারিখ রাতে ডার্সি রিভরিও রানওয়ে তে এই নৃত্যের প্রদর্শনি অনুষ্ঠিত হয়।রাত ৯টায় শুরু হয়ে পরের দিন অল্পকিছু সময় পর্যন্ত এটি স্থায়ী হয়।সাম্বা স্কুলের ৬টি বিশেষ দল প্রতি রাতে এই নৃত্যে অংশগ্রহণ করে এবং প্রায় ৮০ মিনিট ব্যাপী নৃত্য প্রদর্শন করে।সাম্বা প্যারেডের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় শনিবার এবং বিজয়ী দলের নাম ঘোষণা করা হয় শনিবার।
প্রতিদিন কার্নিভালে প্রায় ২ মিলিয়ন মানুষ সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। কার্নিভাল প্যারেডে বাহারি পোশাকে ঐতিহ্যবাহী নাচ, গান, ফূর্তি আর হুল্লোড়ের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মুখোশ, ফানুস, সাজসজ্জা উৎসবটিকে আরো রঙিন করে তোলে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »