Ultimate magazine theme for WordPress.

ইকুয়েডরের গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ বিশ্বের বন্য প্রাণী এবং মানুষের মিলিত জীবনধারার এক অসাধারণ প্রদর্শনী প্রদান করে।

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা ডেস্ক ♦

গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ – বিশ্বের প্রথম ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান

ইকুয়েডরের গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ বিশ্বের বন্য প্রাণী এবং মানুষের মিলিত জীবনধারার এক অসাধারণ প্রদর্শনী প্রদান করে। বলা হয় যে এই বিস্ময়কর দ্বীপপুঞ্জ বিরল প্রজাতির প্রাণী জীবনের উন্নয়নকে সুগম করেছে।

চার্লস ডারউইনের পদার্পণের পরে এই দ্বীপপুঞ্জ বিখ্যাত হয়ে ওঠে যা তার বৈপ্লবিক তত্ত্ব কে পরিণাম দিয়েছিল। গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ প্রায় 120টি দ্বীপপুঞ্জের সমন্বয়ে গঠিত এবং ভূকম্পন এবং অগ্নুৎপাতের ফলে সৃষ্টি হয়েছে যা এই স্থানে আরও দর্শনীয় আকর্ষণের সৃষ্টি করেছে। যেহেতু এই দ্বীপপুঞ্জে বহু কিছু দেখার রয়েছে, বিশেষত যদি আপনার হাতে ভ্রমণের জন্য খুবই সীমিত সময় থাকে, তাহলে ভ্রমণের ব্যাপারে আপনাকে অবশ্যই একটি প্রাক-পরিকল্পনা করে নিতে হবে, অনলাইনে আপনি কিছু প্রধান ভ্রমণযোগ্য স্থান গুলির সূচি পাবেন যেখান থেকে পর্যটকরা এই স্থানের প্রধান পর্যটন গন্তব্যগুলিকে বেছে নিতে পারবেন।

প্রাগৈতিহাসিক মানবদের কার্যকলাপের ফলে এই দ্বীপপুঞ্জের বহু বন্যপ্রাণী বিনষ্ট হয়েছে এবং কিছু প্রজাতি এখনও রয়েছে (যেমন, গালাপাগোস কচ্ছপ) যাদের কে এই বিনষ্টকর কাজ কর্মের কারণে এখনও লুপ্তপ্রায় বলে মনে করা হয়। এই কারণে সরকার কর্তৃক রক্ষনাবেক্ষন ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং এই দ্বীপের ‘প্রাকৃতিক সম্পদ বর্তমানে সুরক্ষিত হয়েছে।

এই দ্বীপপুঞ্জের থাকাকালীন এই বিরল কচ্ছপ অবশ্যই দেখবেন।এছাড়াও ইসলা দেফনিতে আপনি অসাধারণ পক্ষীদের সমাহার দেখতে পেতে পারেন। যেহেতু গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের জনপ্রিয়তার পিছনে চার্লস ডারউইন -এর এক বড় ভূমিকা রয়েছে তাই ইসলা সান্তা ক্রুজের চার্লস ডারউইন গবেষণা কেন্দ্র পরিদর্শন করা অতি আবশ্যক যা গালাপাগোসের এক অন্যতম বৃহত্তম দ্বীপ।

এখানে থাকাকালীন এক দ্বীপপুঞ্জ থেকে আরেক দ্বীপপুঞ্জে যাওয়া খুবই সহজ। আপনি নৌকা বা বিমান দ্বারা এটি করতে পারেন।ফেরি এবং বিমান ভাড়া ঋতুর তারতম্য অনুযায়ী পরিবর্তিত হয় কিন্তু এগুলি যুক্তিসঙ্গত এবং যাত্রীর মালপত্র বহন করে।ফেরি পরিষেবা, অবশ্যই সস্তা এবং দ্রুততর।

গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ সম্পর্কিত তথ্যাবলী –
1978 সালে, ইউনেস্কো এই দ্বীপপুঞ্জকে প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছে।
এই দ্বীপের মোট জনসংখ্যা প্রায় 25,000।
গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ কোথায় অবস্থিত ?
গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জ ইকুয়েডরের অংশ এবং প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। ইকুয়েডর মূল ভূখন্ডের 500 এন.এম.আই পশ্চিমে অবস্থিত।

গালাপাগোস দ্বীপ পরিদর্শনের সেরা সময় –
গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের অবস্থানের জন্য বছরের যে কোন সময় মানুষ এই স্থান পরিদর্শন করতে পারে কিন্তু কেউ যদি দুটি ঋতুর উপর ভিত্তি করে এই স্থান পরিদর্শন করতে আসেন তাহলে সেটি বেশী ভালো হবে। গালাপাগোস বিশেষজ্ঞরা লিখেছেন যে এখানে সাধারণত ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত উষ্ণ এবং জুন এবং ডিসেম্বর মাসের মধ্যবর্তী সময় শীতল ও শুষ্ক থাকে। তবে আগাম বুক করে নেওয়া একটি ভাল ধারণা কারণ ভ্রমণের তারিখ কাছাকাছি চলে আসা কালীন বিমান সম্পূর্ণরূপে বুক হয়ে যায়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »