Ultimate magazine theme for WordPress.

এয়ারলাইন্সের সংকটে থাইল্যান্ডে পর্যটনে ধস -মুয়েং ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের গেটে পর্যটকদের সরব আর নেই।

ব্যাংককের সুবর্ণভূমি এয়ারপোর্টে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে যেখানে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংখ্যা ছিল ২৬ হাজার, সেখানে এপ্রিলে সেই সংখ্যা দাঁড়ায় মাত্র ২ হাজার ৭১১টিতে।

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা ডেস্ক:

করোনাভাইরাস মহামারীতে বিশ্বের এয়ারলাইন্সগুলো বহুমুখি সংকট দেখা দিয়েছে। আর এই সংকটের কারণে থাইল্যান্ডের পর্যটনে ধস নেমেছে। ব্যাংককের মুয়েং ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের গেটে পর্যটকদের সরব আর নেই।

করোনা পরিস্থিতিতে যাত্রীরা চীনের পর্যটন শহর, দক্ষিণপূর্ব এশিয়া এবং থাইল্যান্ডের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ভ্রমণ করতে পারছে না।

বিমানবন্দরটি আগে যেমন যাত্রীদের দীর্ঘ সারি দেখা যেত এমনকি টয়লেটের সামনেও যাত্রীদের লাইন থাকত, এখন সেই অবস্থা আর নেই। খবর ফ্লাইট গ্লোবালের।

শুধু মুয়েং ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট নয়, সব বিমানবন্দরের অবস্থা একই।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব থাইল্যান্ডের (সিএএটি) তথ্যমতে, করোনা মহামারী প্রতিরোধে এপ্রিলের পর থেকে সরকার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

এতে যত সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে তা ইতিহাসে আর দেখা যায়নি।
ব্যাংককের সুবর্ণভূমি এয়ারপোর্টে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে যেখানে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংখ্যা ছিল ২৬ হাজার, সেখানে এপ্রিলে সেই সংখ্যা দাঁড়ায় মাত্র ২ হাজার ৭১১টিতে।

ডন মুয়েংয়ে এপ্রিলে ছিল মাত্র ১৫৬ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, যা জানুয়ারির ফ্লাইট সংখ্যার চেয়ে ৯০০০ কম। পুরো এপ্রিল মাসে উত্তর থাইল্যান্ডের চিয়াংমাই বিমানবন্দর কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের মুখ দেখেনি।

থাই এভিয়েশন শিল্প এপ্রিল মাসে ক্ষতির শিকার হয় ৮.৪ বিলিয়ন ডলারের।

যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে সব খাতে ব্যাপক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেছে। দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও ভারতের এভিয়েশন বাণিজ্যেও এ ক্ষতিকর প্রভাব লক্ষ্মণীয়।
সিএএটি বলছে, ৩০ জুনের পর থেকে নজিরবিহীন দৃশ্য চোখে পড়ে থাই পর্যটনে। এপ্রিলের নিষেধাজ্ঞার কারণে এসময়ে পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল জিরো শতাংশ।

পর্যটনে ধস নামা মানেই তার ভয়াবহ প্রভাব পড়ে এয়ারলাইন্সে। কোম্পানিগুলোর রেকর্ড লোকসানের শিকার হয়।
থাই এয়ারওয়েজ এই ধাক্কায় বছরের প্রথম ছয় মাসে ৫৮২ মিলিয়ন ডলার লোকসান দেয়।
থাই এয়ারএশিয়া চলতি বছরের প্রথমভাগে দ্বিগুণ ক্ষতির মুখে পড়েছে। বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটি যাত্রী তুলেছে মাত্র ২৮০০০, যেখানে আগের বছরে এই সংখ্যা ছিল ৫.৬ মিলিয়ন।
থাই এয়ারওয়েজের প্রধান উথিফাম জুরাংকুল বলছেন, অবস্থা উন্নতি খুব ধীরে ধীরে হচ্ছে। গতবছরের ৩০ শতাংশ ফ্লাইট পুনরুদ্ধার করা গেছে। এমনকি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটেও এখনও লাভের মুখ দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: ফ্লাইট গ্লোবাল

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »