Ultimate magazine theme for WordPress.

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ উরুগুয়ের অলিভ অয়েল উৎপাদনে বড় উল্লম্ফন ।

২০১৯ সালে রেকর্ড গড়েছে দেশটির অলিভ অয়েল উৎপাদন খাত। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছর উরুগুয়েতে সব মিলিয়ে ২ হাজার ৭৭৫ টন অলিভ অয়েল উৎপাদন হয়েছে।

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক ♦

বৈশ্বিক অলিভ অয়েল বাজারে ধীরে ধীরে অবস্থান পোক্ত করছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ উরুগুয়ে। গত এক দশকের কম সময়ের মধ্যে দেশটি অলিভ অয়েলের উৎপাদন বাড়াতে বড় সাফল্য দেখিয়েছে। বাড়ানো হচ্ছে রফতানিও। এর মধ্য দিয়ে দেশটির রফতানি পণ্যের তালিকায় জায়গা করে নিচ্ছে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল।

উরুগুয়ের মিনিস্ট্রি অব এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফিশিংয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে দেশটিতে সাকল্যে ১১০ টন অলিভ অয়েল উৎপাদন হয়েছিল। পরের বছর পণ্যটির উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ৭০০ টনে। এর পর থেকে উরুগুয়েতে অলিভ অয়েলের উৎপাদনে ধারাবাহিক উত্থান-পতন বজায় রয়েছে।

তবে ২০১৯ সালে রেকর্ড গড়েছে দেশটির অলিভ অয়েল উৎপাদন খাত। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছর উরুগুয়েতে সব মিলিয়ে ২ হাজার ৭৭৫ টন অলিভ অয়েল উৎপাদন হয়েছে। আগের বছর পণ্যটির উৎপাদনের পরিমাণ ছিল সাকল্যে ৩০০ টন। এর মধ্য দিয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ অলিভ অয়েল উৎপাদনের রেকর্ড গড়েছেন উরুগুয়ের জলপাই চাষীরা।

মূলত অনুকূল আবহাওয়া, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও রফতানিতে উৎসাহ প্রদান উরুগুয়েতে অলিভ অয়েলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। গত বছর উৎপাদিত অলিভ অয়েলের সিংহভাগ আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানি করেছে দেশটি। এ সময় স্পেন, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও চীনের বাজারে সবচেয়ে বেশি অলিভ অয়েল রফতানি করেছেন উরুগুয়ের রফতানিকারকরা।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »