Ultimate magazine theme for WordPress.

ব্রাজিলের সাও পাওল থেকে ঢাকা – কাতার এয়ারওয়েজ এর সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে আগামী ৩১ শে ডিসেম্বর থেকে

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা ব্রাজিল ডেস্ক : ব্রাজিলের সাও পাওল থেকে ঢাকা – কাতার এয়ারওয়েজ এর সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে আগামী ৩১ শে ডিসেম্বর থেকে । আজ কাতার এয়ারওয়েজ তাদের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান। তবে যাত্রা পথে দোহা হামাদ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট এ ট্রানজিট রয়েছে।

ব্রাজিলে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীরা চাইলে ব্রাজিলে কাতার এয়ারওয়েজ এর যে কোন অফিস বা ট্রাভেল এজেন্ট থেকে অগ্রিম টিকেত বুকিং দিতে পারবে ।

অ্যারোটাইমডটঅ্যারো এর প্রতিবেদনটি অনুসারে, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ তাদের যাত্রীবাহী বিমান পরিচালনা বন্ধের ঘোষণা দেয় গত ২৫শে মার্চ। এর একদিন পর একই পথ অনুসরণ করে এমিরেটসও। পরবর্তী দুই মাস ধরে উভয় কোম্পানিই যাত্রী পরিবহণ বন্ধ রাখে। তার জায়গায় কার্গো উড়িয়ে বেড়ায় ও মাঝে মাঝে নাগরিক ফিরিয়ে আনার কাজ করে।

তবে কিছুটা ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছিল কাতার এয়ারওয়েজ। তারা যাত্রী পরিবহণ পুরোপুরি বন্ধ না রেখে, সীমিত করে ফেলে। প্রায় দুই তৃতীয়াংশ যাত্রী পরিবহণ বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু পুরোপুরি বাদ করে দেওয়া হয় না। যাত্রীবাহী বিমানগুলো দিয়ে বিদেশে আটকে থাকা মানুষজনকে দেশে ফিরিয়ে নেয়, মেডিক্যাল সাপ্লাই ও কার্গো পরিবহণ করে।

ফলস্বরুপ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে বেশ এগিয়ে যায় কাতার এয়ারওয়েজ। এপ্রিলে তারা ঘোষণা দেয়, বিশ্বের সবচেয়ে বড় এয়ারলাইনে পরিণত হয়েছে কোম্পানিটি। সেসময় বিশ্ববাজারের ১৭.৮ শতাংশই ছিল তাদের দখলে।

কাতার এয়ারওয়েজ এপ্রিল ও মে মাসে কতগুলো যাত্রীবাহী ফ্লাইট ও কতগুলো কার্গো পরিবহণ করেছিল তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। যদিও আইএটিএ নিশ্চিত করেছে, কাতার এয়ারওয়েজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় এয়ারলাইনে পরিণত হয়েছে ও তারা স্বল্প পরিমাণেই যাত্রী পরিবহণ করেছে।

মে মাসের মাঝামাঝি থেকে ফের ধীরে ধীরে যাত্রী পরিবহণের ব্যবসায় ফিরতে শুরু করে এমিরেটস ও ইতিহাদও। কিন্তু ততদিনে বেশ এগিয়ে ছিল কাতার। প্রতি সপ্তাহে বিশ্বজুড়ে ৩০টি বিমানবন্দরে আসা যাওয়া করছিল তাদের বিমান।

তবে কাতার এয়ারওয়েজ লকডাউনের সময় ও এখনো এগিয়ে থাকলেও কমে এসেছে ব্যবধান। মহামারির আগে এমিরেটস ও কাতার প্রায় সমান সংখ্যক স্থানে আসা যাওয়া করতো। এমিরেটস বিশ্বজুড়ে ১৫৯টি বিমানবন্দর ও কাতার ১৬০টি বিমানবন্দরে যাত্রা করার রেকর্ড রয়েছে। করোনার সময় বিশ্বজুড়ে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মাঝে হিমশিম খাচ্ছে উভয় এয়ারলাইনসই।

এমিরেটস ও ইতিহাদ  উভয় এয়ারলাইনই সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান। আইএটিএ অনুসারে, চলতি বছর বিমান চলাচল কমে যাওয়ায় প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি ডলার হারাতে যাচ্ছে দেশটি। অন্যদিকে, বিমান চলাচল কমায় কাতার হারাতে যাচ্ছে ৩০০ কোটি ডলার।

মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় তিন বিমান পরিচালনা প্রতিষ্ঠান এমিরেটস এয়ারলাইনস, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ ও কাতার এয়ারওয়েজ। অঞ্চলটির ‘বিগ থ্রি’ নামে পরিচিত এই এয়ারলাইনগুলো বিশ্বখ্যাত। পরস্পরের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বীও তারাই। বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস (কোভিড ১৯) মহামারিতে বিমানযাত্রায় ধস নেমেছে। তার প্রভাব পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারলাইনসগুলোর ওপরেও। সবাই চেষ্টা করছে মহামারির আগের অবস্থায় ফিরে যেতে।

তবে ব্রাজিল থেকে ঢাকা রোড অনেক দিন বন্ধ থাকার পর আবার শুরু হচ্ছে যেনে প্রবাসী বাংলাদেশীদের মনে আনন্দ বিরাজ করছে। অনেকে মহামারির আগে বাংলাদেশে গিয়ে আর ব্রাজিল ফিরতে পারছে না। আবার অনেকে বাংলাদেশে পরিবারের কাছে যেতে পাচ্ছে না বিমানের কারনে ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »