Ultimate magazine theme for WordPress.

যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান নিষেধাজ্ঞায় স্বর্ণ উৎপাদন বাড়াতে পারে রাশিয়া

0

©ক্রাইম টিভি বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক: 

চলতি ও আগামী বছর রাশিয়া তার স্বর্ণ উৎপাদন আরো বেশি হারে বাড়াতে পারে বলে মনে করছে ফিচ সলিউশন। পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরো বাড়াতে পারে, এমন আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে। ফলে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ আরো বাড়াতে পারে বলে মনে করছে ফিচ সলিউশনস। খবর সিএনবিসি।

বুধবার এক প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ‘রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান ও ক্রমবর্ধমান নিষেধাজ্ঞা স্বল্পমেয়াদে দেশটিকে স্বর্ণ উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারে। দেশ দুটির মধ্যে সম্পর্ক এখনো শীতল রয়েছে। এ কারণে ডলার-ডিনমিনেটেড সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো বেশ বিপাকে রয়েছে। ফলে রুশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে পারে। যতদিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা থাকবে, ততদিন রাশিয়ায় স্বর্ণের চাহিদা বজায় থাকবে।’

রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার খড়্গ প্রথম নেমে আসে ২০১৪ সালে। গত কয়েক বছরে এ নিষেধাজ্ঞা আরো বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়াকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অন্যতম হুমকি মনে করায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বেশ তিক্ত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্পর্কের বরফ গলানোর চেষ্টা করলেও তাতে খুব একটা কাজ হয়নি। রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে গত কয়েক বছরে তাদের স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়িয়েছে, তার নেপথ্যে রয়েছে এ ভূরাজনৈতিক সম্পর্কের অনিশ্চয়তা।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্বর্ণ উৎপাদক দেশ রাশিয়া। সাম্প্রতিক সময়ে সোনার চাহিদা অনেক বেড়েছে। বিষয়টি উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আলভিরা নাবিউলিনা বলেছেন, রাশিয়া এখন ধাতুটির রফতানি বাড়ানোর মতো অবস্থানে রয়েছে। আর এমনটি হলে দেশটির রফতানি আয় বাড়বে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহও বাড়বে।

ফিচ সলিউশন বলছে, রাশিয়ার পাইপলাইনে বেশ কয়েকটি মাইনিং প্রজেক্ট রয়েছে। এগুলো চালু হলে ২০২৯ সাল নাগাদ বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্বর্ণ উৎপাদকে পলিনত হবে রাশিয়া। এক্ষেত্রে তারা চীন ও অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলবে।

ফিচ সলিউশনস পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৯ সাল নাগাদ রাশিয়ার স্বর্ণ উৎপাদন চলতি বছরের ১ কোটি ১৩ লাখ আউন্স থেকে ১ কোটি ৫৫ লাখ আউন্সে উন্নীত হতে পারে। অর্থাৎ প্রতি বছর উৎপাদন বাড়বে গড়ে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ হারে।

অন্যদিকে বর্তমানে বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্বর্ণ উৎপাদক চীনের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি দশমিক ২ শতাংশ থাকতে পারে। অর্থাৎ ২০২৯ সাল নাগাদ চীনের স্বর্ণ উৎপাদনে খুব বেশি প্রবৃদ্ধি হবে না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »