Ultimate magazine theme for WordPress.

পৃথিবীর বিখ্যাত অমীমাংসিত রহস্য – দক্ষিণ পেরুতে অবস্থিত নাজকা ও পালপা শহরে

১০০টির অধিক রেখা পুরোপুরি জ্যামিতিক রেখার সাদৃশ এবং আরো ৭০টির মত রেখা দ্বারা ফুল, পাখি, বাঁদর, মাকড়সা, মানুষের মাথা সহ বিভিন্ন প্রাণীর চিত্র আঁকা রয়েছে।

0

ক্রাইম টিভি বাংলা অনলাইন ডেস্ক:

দক্ষিণ পেরুতে অবস্থিত নাজকা ও পালপা শহরের মাঝখানে প্রায় ৮০ কি.মি. এলাকাজুড়ে এক দীর্ঘ আর রহস্যময় রেখা বিস্তৃত যা মানুষের নিকট ‘নাজকা রেখা’ অথবা Nazca/Nasca lines নামে পরিচিত। ধারণা করা হয় নাজকা সভ্যতার বাসিন্দারা খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দ থেকে ৫০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই রেখাগুলো তৈরি করেন। এর মাঝে ১০০টির অধিক রেখা পুরোপুরি জ্যামিতিক রেখার সাদৃশ এবং আরো ৭০টির মত রেখা দ্বারা ফুল, পাখি, বাঁদর, মাকড়সা, মানুষের মাথা সহ বিভিন্ন প্রাণীর চিত্র আঁকা রয়েছে। এর মাঝে বৃহত্তম রেখাচিত্রটি প্রায় ২০০মিটার লম্বা। ১৯২৭ সালে, তোরিবিও মেহিয়া সিসপে নামক এক প্রত্নতাত্তিক ‘ফুটহিল’ পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে এই লাইন সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন। উল্লেখ্য যে, এই বিশালাকৃতির কারণে এই রেখাগুলো শুধুমাত্র আকাশপথ এবং ফুটহিল পাহাড়ের উপর থেকেই পরিষ্কারভাবে দেখা যায়।

এই রেখাঙ্কনের কারণ আবিষ্কার করতে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অনেক মতবাদ। অনেকের মতে সৃষ্টিকর্তাকে আকৃষ্ট করার জন্যই এই বিশালাকার রেখার সৃষ্টি। অনেকে মনে করেন যে, ঐ যুগে মানুষ ভিনগ্রহী প্রানীদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করত এবং এই রেখাগুলোর আঁকার কারণ হচ্ছে যাতে করে তারা এই রেখাগুলো দেখে পৃথিবীতে নেমে আসতে পারে। অনেকে আবার বলেন, নাজকাই পৃথিবীর সর্বপ্রাচীন রানওয়ে, কেননা এর মাঝে অনেক রেখা রানওয়েতে অঙ্কিত রেখার সাদৃশ্যপূর্ণ। অনেক রকমের মতবাদ থাকলেও এখন পর্যন্ত কেউ এই নাজকা রেখা অঙ্কনের আসল কারণ উদঘাটন করতে না পারার কারণে রেখাগুলো আজও রহস্য হয়েই রয়ে গেছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »