Ultimate magazine theme for WordPress.

আমেরিকানদের জন্য আরো ১ ট্রিলিয়ন ডলার প্রণোদনার প্রস্তাব

0

করোনাভাইরাস মহামারীতে যে বিশাল আর্থিক ক্ষতিসাধন হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে আরো ১ ট্রিলিয়ন বা ১ হাজার বিলিয়ন ডলার ব্যয় করার প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটররা।

স্কুলগুলোর জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলার আর অধিকাংশ আমেরিকানদের ন্যূনতম ১ হাজার ২০০ ডলার প্রণোদনা হিসেবে প্রদানের পরিকল্পনা এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। মহামারীর সময় ৬০০ ডলার করে বেকার ভাতা দেয়া হচ্ছিল, যার জায়গা নেবে নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি।

প্রস্তাবটি নিয়ে এখন ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হতে পারে, যারা কিনা একে ‘সম্পূর্ণরুপে অপর্যাপ্ত’ বলছিলেন।

ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সাহায্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্র এরই মধ্যে ২.৪ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এর মধ্যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে ব্যবসায়ীদের প্রণোদনার খাতে আর বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিকে সাহায্য করার পেছনে। কিন্তু অর্থনীতিবিদটা সতর্ক করে দিয়ে বলছিলেন, এই তহবিল যথেষ্ট নাও হতে পারে এবং হয়তো আরো অনেক লাগবে।

সিনেরট মিচ ম্যাককনেল বলেন, তারা দেখতে চেয়েছিলেন বর্তমান কর্মসূচি কীভাবে এগোয়, কিন্তু এখন মহামারীর কারণে পরিস্থিতির বাস্তবতায় দর্জির মতোই কাঁচি নিয়ে বসে লক্ষ্যস্থির করতে হবে।

রাজ্যগুলো যতদিন না সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি তৈরি করতে না পারে ততদিন প্রণোদনা ৬০০ ডলার থেকে কমিয়ে ২০০ ডলার করার কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবে। এটা করা হলে আগের ৭০% পেমেন্ট পাবেন বেকার আমেরিকানরা।

বর্তমান বেনেফিটের কারণে কর্মীরা কাজে যেতে উৎসাহ বোধ করেন না বলে উদ্বেগ প্রকাশ করছিলেন অনেকে। কারণ যারা বেকার ভাতা পাচ্ছিলেন তাদের মধ্যে প্রায় দুই তৃতীয়াংশই কাজ করে আয়কৃত অর্থের চেয়েও বেশি পাচ্ছিলেন! ম্যাককনেল বলেন, ‘রিপাবলিকানরা অবশ্যই বেকার ভাতা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে। তবে এটি এমনভাবে করতে হবে যেন আমাদের কর্মকা- খুলে দেয়ার গতিকে এটি কমিয়ে না দেয়।’

এ প্রস্তাব নিয়ে ডেমোক্র্যাট গ্রুপের নেতা চাক শুমার বলেছেন, ‘এটা খুব ছোট, আর খুব বিলম্বে দেয়া হলো।’  তিনি আরো বলেন, ‘এটা খুবই গুরুতর, খুবই গুরুতর সংকট। আমরা সময় নষ্ট করে ফেলছি।’

তার কথা হলো, যখন কাজের অভাবে বেকার হয়ে মানুষজন ঘরে বসে আছে তখন ‘৩০%’ অর্থ কমিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা মোটেও সঠিক নয় এবং নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি বাস্তবায়নও কঠিন হয়ে উঠবে বলে মনে করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত দেড় কোটি মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। ভাইরাসটি পুনরায় হানা দেয়ায় ও বহু জায়গায় লকডাউন পুনর্বহাল করায় অর্থনৈতিক ক্ষতি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি

Leave A Reply

Your email address will not be published.

Translate »